কক্সবাজারের টেকনাফে পারিবারিক কলহের জেরে দুই শিশুসন্তানসহ পুকুরে ঝাঁপ দিয়ে রুমানা রুনি (২৮) এক নারী ‘আত্মহত্যা’ করেছেন। মৃত নারী টেকনাফ সদর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের নাজিরপাড়া এলাকার মৃত নজির আহমদের মেয়ে ও সাবরাং ইউনিয়নের বেইংগাপাড়া বাসিন্দা আবদুর রাজ্জাকের স্ত্রী।
বুধবার (২ আগস্ট) সকালে সাবরাংয়ের বেইঙ্গা পাড়ার পুকুরে এ ঘটনায় ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের লোকজন পুকুরটিতে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে রুমানা রুনির মৃতদেহ উদ্ধারের পাশাপাশি তার এক সন্তান মো. ইয়াছিনকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। তবে ওই নারীর ৪০ দিন বয়সী আরও এক শিশু এখনও নিখোঁজ।
এ বিষয়ে টেকনাফ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের দলপতির অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা উত্তম কুমার ব্যানার্জি বলেন, ‘মা ও এক শিশু সন্তানসহ দুই জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে একজন মারা গেছে। তবে আরেকটি বাচ্চা শিশু এখনও উদ্ধার হয়নি।’
সাবরাং ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. সেলিম বলেন, ‘বেইংগাপাড়া বাসিন্দা আবদুর রাজ্জাকের সঙ্গে তার স্ত্রীর পারিবারিক বিষয়ে ঝামেলা চলছিল। এরই জের ধরে ঘটনার গতকাল (মঙ্গলবার) স্ত্রীর সঙ্গে তার বাগবিতণ্ডা হয়। পরের দিন এ ধরনের মর্মান্তিক ঘটনা ঘটলো।’
এসব তথ্য নিশ্চিত করে টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ জোবইর বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, পারিবারিক কলহের জেরে এক গৃহবধূ দুই সন্তানসহ আত্মহত্যার চেষ্টা চালায়। এতে তার মৃতদেহ পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় এক শিশুকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হলেও ৪০ দিনের এক শিশুকে উদ্ধারের কাজ চলছে।