মেঘনায় ট্রলারডুবির ঘটনায় রোহিঙ্গা নারীর লাশ উদ্ধার, পুলিশ সদস্যসহ নিখোঁজ ২

নোয়াখালীর হাতিয়ায় মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজ এক রোহিঙ্গা নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন দুজন।

রবিবার (০১ জুন) সকালে লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার বিবিরহাটের চর রমিজ এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। নিহত নারীর নাম হাসিনা আক্তার (৩০)। তার স্বামীর নাম মো. তারেক। এ ঘটনায় পুলিশ সদস্য সাইফুল ইসলাম এবং হাসিনার সন্তান তামিম এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। তবে উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত আছে বলে হাতিয়া ও ভাসানচর থানার পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

এর আগে শনিবার বেলা ২টার দিকে হাতিয়ার চানন্দি ইউনিয়নের করিমবাজার ঘাটের কাছে মেঘনার ডুবোচরের সঙ্গে ধাক্কা লেগে পণ্যবাহী একটি ট্রলার ডুবে যায়। এতে ট্রলারে থাকা ৩৯ যাত্রী নদীতে পড়ে যান। পরে অন্য ট্রলারের সহায়তায় সন্ধ্যা পর্যন্ত ৩৬ জনকে উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে উদ্ধারের পরপরই অসুস্থ হয়ে পোস্ট অফিসের কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দিন মারা যান। এরপর আজ আরও এক রোহিঙ্গা নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় দুজনের মৃত্যু হলো। গতকাল অসুস্থ হয়ে মারা যাওয়া ব্যক্তির পরিচয় জানা গেছে। তিনি ভাসানচর সাবপোস্ট অফিসের ভারপ্রাপ্ত পোস্টমাস্টার মো. গিয়াস উদ্দিন ভূঁইয়া (৫৫)। দুপুরে তার লাশ ফেনী সদর উপজেলার ধুলিয়া ইউনিয়নের গ্রামের বাড়িতে নিয়ে গেছেন সহকর্মীরা।

রামগতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন বলেন, ‘ধারণা করা হচ্ছে, নিহত নারী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের। হাতিয়ায় ট্রলারডুবিতেই মারা গেছেন। তবে কেউ এসে শনাক্ত করা পর্যন্ত আমরা কোনও কিছু নিশ্চিত করতে পারছি না। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।’

ভাসানচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কুতুব উদ্দিন বলেন, সকালে রামগতি উপজেলার মেঘনার চর রমিজ এলাকা থেকে হাসিনা আক্তার নামের এক নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও একজন পুলিশ সদস্যসহ দুজন নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত আছে।’