নোয়াখালীর সদর উপজেলায় মাইকিং করে আওয়ামী লীগ (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) ও ছাত্রদল (নিষিদ্ধ) নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিলের ঘটনাকে কেন্দ্র করে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ফের ৪৭ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ছাড়া সদর উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়নের বাঁধেরহাট বাজারের জিরো পয়েন্টে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিলের ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ১১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাত আরও বেশ কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।
রবিবার (৭ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেন নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) টি এম মোশাররফ হোসেন। এর আগে শনিবার দিবাগত রাত থেকে রবিবার ভোর পর্যন্ত সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
এদিকে, সদর উপজেলার নোয়ান্নই ও কালাদরাপ ইউনিয়নে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের মিছিলকে কেন্দ্র করে নোয়াখালী সুধারাম মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলামকে প্রত্যাহার করে (ক্লোজড) পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।
তবে পুলিশ প্রশাসনের দাবি, এটি নিয়মিত প্রশাসনিক বদলির অংশ। একই আদেশে ফেনীর সোনাগাজী থানার ওসি কামরুল ইসলামকে সুধারাম মডেল থানার নতুন ওসি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া সুধারাম থানার পরিদর্শক (অপারেশন) শ্রীরাম ভট্টাচার্যকে হাতিয়া থানার ওসি (তদন্ত) হিসেবে এবং হাতিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ইদ্রিসুর রহমানকে সুধারাম থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হিসেবে বদলি করা হয়েছে।
নোয়াখালীর পুলিশ সুপার টি এম মোশাররফ হোসেন বলেন, সুধারাম মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলামকে পুলিশ লাইন্সে বদলি করা হয়েছে। এটি নিয়মিত প্রশাসনিক বদলির অংশ।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার (৫ জুন) জুমার নামাজ শেষে উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়নের বাধের হাট বাজারে ইউনিয়ন ছাত্রলীগ ও যুবলীগের যৌথ উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল করা হয়।