কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে তার স্ত্রী ও ৫ বছর বয়সী ছেলেকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তাদের আরেক ছেলে গুরুতর আহত হয়েছে। ঘটনার পর অভিযুক্ত ব্যক্তি এ পলাতক রয়েছেন। বুধবার (৮ জুলাই) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে কুতুপালং ৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বি-৬ ব্লকে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা এহেসামুল হকের (৩৭) স্ত্রী শহীদ নুর ওরফে সুফিয়া (৩০) এবং শিশু সন্তান মোহাম্মদ শামীম (৫)। এ ঘটনায় আহত হয়েছে তাদের বড় ছেলে মোহাম্মদ আফছার ওরফে বাপ্পী (১৪)।
কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মাঝি মোহাম্মদ হুসাইন জানান, গতকাল (বুধবার) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে পারিবারিক কলহের জেরে রোহিঙ্গা এহেসামুল হক ও তার স্ত্রী শহীদ নুর ওরফে সুফিয়ার মধ্যে তর্কাতর্কি হয়। একপর্যায়ে এহেসামুল হক ধারালো দা দিয়ে তার স্ত্রী এবং দুই ছেলে শামীম ও বাপ্পীকে কুপিয়ে ও গলা কেটে গুরুতর জখম করেন। এতে ঘটনাস্থলেই তার স্ত্রী ও ছোট ছেলে নিহত হয়।
গুরুতর আহত বড় ছেলে বাপ্পীকে স্থানীয় রোহিঙ্গাদের সহায়তায় কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে সেখানেই তার চিকিৎসা চলছে। ঘটনার পর অভিযুক্ত এহেসামুল হক পালিয়ে গেছেন বলে জানান তিনি।
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান জানান, বুধবার দিবাগত রাতে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে একই পরিবারের দুই সদস্য নিহতের ঘটনায় মরদেহ উদ্ধারের জন্য ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। উদ্ধারের পরে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।