কক্সবাজারের উখিয়ার ১৪ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দোকানের বাকি টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে এক স্থানীয় যুবককে গুলি করার অভিযোগ উঠেছে এক রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ওবায়দুল হক লালু (৩০) নামে ওই যুবক গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) জুমার নামাজের পর উখিয়ার ১৪ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সি/০২ ব্লকে এ ঘটনা ঘটে। আহত লালু উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের হাকিমপাড়া এলাকার মৃত আবুল হোসেনের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ক্যাম্প-১৪-এর সি/০২ ব্লকে দোকানের বাকি টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দা ওবায়দুল হক লালুর সঙ্গে রোহিঙ্গা আরএসও সদস্য হিসেবে পরিচিত ইউনুসের বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে উভয়পক্ষের মধ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। পরে ইউনুস আগ্নেয়াস্ত্র বের করে গুলি ছুড়লে লালুর পায়ে গুলি লাগে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে ক্যাম্প-১৪ এমএসএফ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী খতিজা বেগম বলেন, জুমার নামাজের পর ইউনুস কোমর থেকে অস্ত্র বের করে দুই রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এর মধ্যে একটি গুলি লালুর পায়ে লাগে। ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং অভিযুক্তরা ক্যাম্পের ভেতরে চলে যায়।
পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী বলেন, রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা কাঁটাতারের বাইরে এসে আমার ইউনিয়নের এক যুবককে গুলি করে আবার ক্যাম্পে ঢুকে গেছে। গুলিবিদ্ধ যুবককে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন।
উখিয়া থানার ওসি আতিকুর রহমান বলেন, দোকানের বাকি টাকা ও জমি-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে ইউনুস ১০ থেকে ১৫ জনকে নিয়ে এসে গুলি চালিয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। এতে লালু নামে একজনের পায়ে গুলি লাগে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।