জানা গেছে, সিআইডি শুধু জিজ্ঞাসাবাদেই নিজেদের তদন্ত অব্যাহত রেখেছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডি কুমিল্লার পরিদর্শক গাজী মো. ইব্রাহীম বুধবার মামলার বিষয়ে সিআইডির ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করতে ঢাকা ছিলেন গত ৩ দিন। ২৮ মার্চ সন্ধ্যায় মামলাটি স্থানান্তর হয় সিআইডি পুলিশের কাছে। এরপর গত ২০ দিন ধরে মামলা তদন্ত অব্যাহত রেখেছে সিআইডি। এর মধ্যে দুই দফায় ৬ দিনে ৩৮ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিআইডি। জিজ্ঞাসাবাদ ছাড়া মামলার আর কী অগ্রগতি আছে জানতে চাইলে সিআইডির কুমিল্লার বিশেষ পুলিশ সুপার ড. নাজমুল করিম খান কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি।
উল্লেখ্য, গত ২০ মার্চ রাতে তনু হত্যার পরদিন কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় কোনও আসামির নাম উল্লেখ না করে হত্যা মামলা দায়ের করেন তার বাবা ইয়ার হোসেন। এরপর ৪ দিন মামলা তদন্তে ছিল কোতোয়ালি পুলিশ। ২৫ মার্চ মামলা স্থানান্তর করা হয় ডিবি পুলিশের কাছে। ৪ দিন মামলার তদন্ত করে ডিবি।
এদিকে ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক দলের প্রধান ও কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. কামদা প্রসাদ সাহা জানান, যেসব পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে পাঠানো হয়েছে তার সব হাতে এসে পৌঁছলে ৩ সদস্যের বোর্ড বসে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন চূড়ান্ত করবে। কী সেসব পরীক্ষা জানতে চাইলে তিনি উত্তর দিতে রাজি হননি। শিগগিরই প্রতিবেদন পাওয়া যাবে কিনা এ প্রশ্নের উত্তরও দেননি তিনি। আরেক প্রশ্নের জবাবে বলেন,কোনও প্রভাব ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনকে প্রভাবিত করবে না। পরীক্ষায় যা পাওয়া যাবে তাই আমরা উল্লেখ করবো।
২০ মার্চ রাত সাড়ে ১০টার দিকে কুমিল্লা সেনানিবাসের বাসার কাছ থেকে তনুর মরদেহ উদ্ধার করে তার বাবা ইয়ার হোসেন। পরদিন দুপুরে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মরদেহের প্রথম ময়নাতদন্ত হয়। প্রথম ময়নাতদন্তে তনুকে ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায়নি এবং মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণও পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছিলেন চিকিৎসকরা। ২য় ময়নাতদন্তের জন্য ৩০ মার্চ তনুর লাশ কবর থেকে তোলা হয়।
/এএইচ/