অনুসন্ধান দলের প্রধান প্রফেসর ড. জাহাঙ্গীর আলম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, গত ১৩ এপ্রিলের ৬.৯ মাত্রার ভূমিকম্পের পরেই হেলে পড়া ভবনগুলোর ওপর আমরা একটি প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদন প্রস্তুত করছি। এটি ২৪ এপ্রিল জমা দেওয়া হবে। এরপর চূড়ান্ত একটি প্রতিবেদন সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হবে।
তিনি আরও জানান, আমার ইতোমধ্যে ভবন মালিকদের সঙ্গে কথা বলেছি। ভবনগুলোর নকশা, মাটি পরীক্ষার রিপোর্টগুলো খতিয়ে দেখছি। এছাড়াও ওই ভবনগুলোর নির্মাণ, নকশা ও সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের নামও সংগ্রহ করেছি।
আরও পড়ুন:
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক জরিপে দেখা গেছে, বন্দর নগরী চট্টগ্রামের ৭৮ শতাংশ ভবনই ঝুঁকিপূর্ণ।
উল্লেখ্য, চট্টগ্রামে হেলে পড়া ৯ ভবনের মধ্যে তিনটি আবাসিক ভবন, পাঁচটি বাণিজ্যিক ভবন ও একটি বিদ্যালয় ভবন রয়েছে।
/এনএস/এইচকে/