মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ১৯৯৭ সালে খোদেজা বেগমের সঙ্গে আবুল হোসেনের বিয়ের পর খোদেজা জানতে পারেন আবুল হোসেনের আরও এক স্ত্রী রয়েছেন। বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই
যৌতুকের জন্য চাপ দিতে থাকেন আবুল। দাবি করা টাকা না পাওয়ায় ১৯৯৮ সালের ১৫ জুলাই নিজ বাড়িতে খোদেজাকে পিটিয়ে হত্যা করেন আবুল।
আরও পড়ুন: ৭ খুন মামলা: তারেক সাঈদকে দেখেই জ্ঞান হারালেন সাক্ষী
এ ঘটনায় নিহতের চাচা শহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেন। সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে আদালত আবুল হোসেনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ এবং নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় আবুল হোসেনের প্রথম স্ত্রী জালানী বেগমকে বেকসুর খালাস প্রদান করেন।
মামলার রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি ছিলেন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পিপি এ কে এম নাসিমুল আক্তার। আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন এমএ বাকী মিয়া।
/এনএস/এইচকে/আপ-এআর/