গোপালগঞ্জে বাংলা ট্রিবিউনের ২য় বর্ষপূর্তিতে আনন্দঘন অনুষ্ঠান

গোপালগঞ্জে শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা ও কেক কাটার মধ্য দিয়ে   বাংলা ট্রিবিউনের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে। সন্ধ্যায় গোপালগঞ্জ শিল্পকলা একাডেমিতে এ সব আনন্দ ঘন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

বাংলা ট্রিবিউনের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তিতে গোপালগঞ্জে র‌্যালি

বিকেলে শিল্পকলা একাডেমি চত্বর থেকে একটি র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিতে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ অংশ নেন। পরে  শিল্পকলা একাডেমি চত্বরে এসে র‌্যালিটি শেষ হয়। শিল্পকলা একাডেমিতে আগতদের হাতে বাংলা ট্রিবিউনের ২য় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর বিশেষ প্রিন্টিং সংখ্যা তুলে দেয়া হয়।

বিকেলে প্রচণ্ড ঝড় বৃষ্টি  উপেক্ষা করে শতাধিক শিশু সহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ সমবেত হন বাংলা ট্রিবিউনের ৩য় বর্ষে পদার্পণের অনুষ্ঠান মালায়। তাদের ভালোবাসায় বাংলা ট্রিবিউন সিক্ত হয়।

বাংলা ট্রিবিউনের ২য় বর্ষপূর্তি উদযাপনে শিশুদের অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো

র‌্যালি শেষে শিল্পকলা একাডেমির আডটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন দেশের স্বনামধন্য শিল্পপতি সোয়ান গ্রুপের চেয়ারম্যান গোপালগঞ্জের কৃতি সন্তান খবীর উদ্দিন খান। গোপালগঞ্জ সরকারি বঙ্গবন্ধু বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান মো. হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন কাশিয়ানী উপজেলা শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও ফুকরা মদন মোহন একাডেমির প্রধান শিক্ষক মো. জইন উদ্দিন, জেলা কালচারাল অফিসার আল মামুন বিন সালেহ। বাংলা ট্রিবিউনকে স্বাগত জানিয়ে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি গোপালগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী একরামুল হক।

আলোচনা সভা শেষে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি অন্যান্য অতিথি ও শিশুদের সঙ্গে নিয়ে কেক কাটেন। পরে অনুষ্ঠানের সভাপতি অনুষ্ঠানে আগত সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি টানেন।

শিল্পকলা একাডেমির অডিটোরিয়ামে উপস্থিতির একাংশ

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি খবীর উদ্দিন খান তার বক্তব্যে বলেন, সৃজনশীল বাংলাদেশ গড়তে বাংলা ট্রিবিউন ভূমিকা রাখবে। ভবিষ্যতের পথ পরিক্রমায় বাংলা ট্রিবিউন বাংলাদেশের মুখপাত্র হবে। বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি নতুন প্রজম্মের কাছে বাংলা ট্রিবিউন তুলে ধরবে। ভাষা আন্দোলন, মহান মক্তিযুদ্ধসহ বাঙালির আন্দোলন সংগ্রামের বীরত্বগাঁথার ইতিহাসকে বাংলা ট্রিবিউনে স্থান করে দিতে হবে। রুচি, দেশত্ব বোধ ও দায়িত্বশীলতার অঙ্গীকার নিয়ে বাংলা ট্রিবিউন এগিয়ে যাবে বলে আমার বিশ্বাস। গোপালগঞ্জের মানুষের হাসি,কান্না, দুঃখ, কষ্ট, আনন্দ,বেদনা ও সম্ভাবনার কথা বাংলা ট্রিবিউনের পাতায় পাতায় তুলে ধরার অনুরাধ করছি। আমি বাংলা ট্রিবিউনের উত্তরোত্তর সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা করছি।

/এইচকে/