গ্রেফতারকৃত জহিরুল ইসলামের (৪০) বাড়ি চাঁদপুরের কচুয়া থানার রাগদুল এলাকায়। তিনি রূপগঞ্জের তারাব পৌরসভা এলাকার সুতালাড়া জামে মসজিদে মুয়াজ্জিনের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
নিহত শিশু সুমাইয়া আক্তার নেত্রকোনার দুর্গাপুর থানার সিংগারচারগোপাড়া এলাকার ওয়াজিদ মিয়ার মেয়ে। ওয়াজিদ মিয়া পরিবার নিয়ে সুতালাড়া এলাকার হাফেজ সিকদারের বাড়িতে বসবাস করে আসছেন।
রূপগঞ্জ থানার ওসি ইসমাইল হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার সকালে আরবি পড়ার উদ্দেশ্যে সহপাঠীদের সঙ্গে সুতালাড়া জামে মসজিদে যায় শিশু সুমাইয়া আক্তার। এরপর সব শিশুকে ছুটি দিয়ে দিলেও সুমাইয়া আক্তারকে ছুটি দেননি শিক্ষক ও মুয়াজ্জিন জহিরুল ইসলাম। এরই মধ্যে মসজিদের মাইকে সুমাইয়ার নিখোঁজের খবরও প্রচার করেন ওই মুয়াজ্জিন।
এ অবস্থায় শনিবার দুপুরে মসজিদ সংলগ্ন পুকুর থেকে সুমাইয়ার লাশ উদ্ধার করা হয়। শিশুর শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখমের আলামত পাওয়া গেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পানিতে ফেলে হত্যার ঘটনা স্বীকার করেছেন জহিরুল ইসলাম।
ওসি আরও জানান, শিশুটির লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় শিশুর বাবা ওয়াজিদ মিয়া বাদি হয়ে রূপগঞ্জ থানায় হত্যার পর গুম করার অভিযোগ এনে মামলা করেছেন।
আরও পড়ুন:
নারায়ণগঞ্জে ক্ষমতাসীনদের সড়ক অবরোধ, সুশীলদের শহরে ঢুকতে না দেওয়ার হুমকি
/বিটি/