মানিকগঞ্জে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন বিএনপি প্রার্থী

ইউপি নির্বাচন ২০১৬নির্বাচনের আগ মুহূর্তে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার দিঘী ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের বিএনপি প্রার্থী মতিয়ার রহমান। হাইকোর্ট বৈধ ঘোষণা করায় তিনি প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। এতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আগেই নির্বাচিত আওয়ামী লীগ প্রার্থীকে নতুন করে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে হবে। শুক্রবার জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মুনীর হোসাইন খান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 


হাইকোর্টের বিচারপতি কামরুল ইসলাম সিদ্দিকী এবং রাজিক-আল-জলিলের যৌথ বেঞ্চ বৃহস্পতিবার বিএনপি প্রার্থী মতিয়ার রহমানকে বৈধ ঘোষণা করে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ দিতে নির্বাচন কমিশনকে আদেশ দেন।
জেলা নির্বাচন কমিশনার জানান, দিঘী ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মতিন মোল্লা, বিএনপির মতিয়ার রহমান এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুর রহমান মনোনয়নপত্র জমা দেন। মনোনয়নপত্রে প্রস্তাবক ও সমর্থকের নাম দিতে হয়। তবে মনোনয়নপত্রে মতিয়ার রহমান (বিএনপি)ও আবদুর রহমান (স্বতন্ত্র) একই ব্যক্তিকে সমর্থক হিসেবে নাম দেন। এতে নির্বাচনি আইন অনুযায়ী ওই দুই প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করে নির্বাচন কমিশন। আওয়ামী লীগের একক প্রার্থী থাকায় আইন অনুযায়ী ১৩ মে মতিন মোল্লাকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়।

তবে নির্বাচন কমিশনের এই আদেশের বিরুদ্ধে গত ২২ মে বিএনপির প্রার্থী মতিয়ার রহমান হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। এই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট তাকে বৈধ ঘোষণা করে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দেন।

শনিবার অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মতিন মোল্লা ও বিএনপি’র মো. মতিয়ার রহমান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

প্রার্থীতা ফিরে পেয়ে বিএনপি দলীয় প্রার্থী মতিয়ার রহমান জানান, আমি ন্যায্য বিচার পেয়েছি। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে আমি জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী।

এদিকে, আওয়ামী লীগের প্রার্থী মতিন মোল্লা জানান, আইন অনুযায়ী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিত হয়েছিলাম। এখন কোর্টের আদেশ মেনে নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবো।

উল্লেখ্য, নির্বাচন অনুষ্ঠানের দুদিন আগে প্রার্থীতা বৈধ ঘোষণা হওয়ায় আওয়ামী লীগ ও বিএনপির উভয় চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রচারণার কোনও সুযোগ পাননি। মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার সাতটি ইউনিয়নে শনিবার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

আরও পড়ুন:

ইউপি নির্বাচন: পূর্বধলার একশ কেন্দ্রের ৯১টি ঝুঁকিপূর্ণ

/এনএস/বিটি/