এদিকে, মঙ্গলবার ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন চায়না বেগম। আর একে একে তিন সন্তানকে হারিয়ে বুকফাটা আর্তনাদ করছেন তানভীরের মা কমলা বেগম।
তানভীরের মামা লুৎফর রহমান জানান, মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার জয়নগর গ্রামের আক্কাস আলীর সঙ্গে তার বোন কমলা বেগমের বিয়ে হয়। তাদের ঘরে দুই ছেলে ও এক মেয়ে ছিল। দু’বছর আগে ছয় বছরের মেয়ে পানিতে ডুবে এবং এক বছর আগে ১৫ বছরের ছেলে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়। তানভীরকে হারিয়ে তার বোন এখন নির্বাক।
জানা গেছে, একই বাড়িতে তানভীরের বাবা আক্কাস ও চাচা কালু শেখ পরিবার নিয়ে বাস করতেন। গত সোমবার সকালে মা-বাবা বাড়িতে না থাকায় তানভীর চাচীর সঙ্গে কালিগঙ্গা নদীর ঘাটে গোসল করতে যায়। ঘণ্টা খানেক পর চায়না বেগম তানভীরের মৃতদেহ নিয়ে বাড়ি ফেরেন। সে সময় তিনি জানান, গোসল করার সময় তার নজর এড়িয়ে তানভীর ডুবে মারা যায়। কিন্তু তানভীরকে চুবিয়ে মারার দৃশ্য দেখতে পায় এক নৌকার মাঝি। তিন বিষয়টি মানিকগঞ্জ সদর থানা পুলিশকে জানান। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের করে মৃতদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে এবং চায়না বেগমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে।
মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুর রহমান জানান, জিজ্ঞাসাবাদে চায়না বেগম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। আর ছেলে হত্যার অভিযোগে চায়না বেগমকে আসামি করে নিহতের মা কমলা বেগম বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন।
তিনি আরও জানান, মঙ্গলবারই চায়না বেগমকে আদালতে পাঠানো হয়।
আরও পড়ুন: বরিশালে বজ্রাঘাতে কৃষকের মৃত্যু
/এসএনএইচ/টিএন/আপ-এআর/