গোপালগঞ্জের টিসিবি’র ডিলাররা জানিয়েছেন, রমজান এলেই ছোলা, চিনি, খেজুর, ভোজ্য তেল ও ডালসহ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের চাহিদা বেড়ে যায়। তাই এসব পণ্যের দাম ক্রেতাদের হাতের নাগালে রাখতে টিসিবির উদ্যোগে খোলাবাজারে বিক্রি করা হয়। গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া, টুঙ্গিপাড়া, কাশিয়ানী ও মুকসুদপুর উপজেলায় সীমিত আকারে খোলাবাজারে পণ্য বিক্রি শুরু করা হয়েছে। গোপালগঞ্জ শহরের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের পাশে একটি মাত্র ট্রাকে করে পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে, তাও আবার অনিয়মিত। চাহিদামতো পণ্য সরবরাহ না থাকায় টিসিবি পণ্য বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন ডিলাররা।
টিসিবি পণ্য ক্রেতা ইয়ার আলী শেখ ও জুলমত আলী খোন্দকার বলেন, খোলাবাজারে টিসিবি’র চিনি ৪৮, ছোলা ৭০, খেজুর ও ডাল ৯০ টাকা কেজি এবং ভোজ্যতেল ৮০ টাকা লিটার দরে বিক্রি করা হচ্ছে। একটি মাত্র স্থানে এবং বাজারদরের চেয়ে ১৫ থেকে ২০ টাকা কমে পণ্য বিক্রি করায় অল্প সময়ের মধ্যেই শেষ হয়ে যাচ্ছে। চাহিদা মতো মালামাল এখানে পাওয়া যাচ্ছে না। পণ্য সরবরাহ কম থাকায় অনেক ক্রেতাকেই পণ্য না কিনে ফিরে যেতে হচ্ছেন। ফলে টিসিবি পণ্য বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না।
গোপালগঞ্জ জেলা সদরের টিসিবি ডিলার বুলবুল আলম বুলু জানান,খুলনা টিসিবি থেকে চাহিদা মতো মালামাল সরবরাহ করা হচ্ছে না। এই কারণে ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী পণ্য বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছে না।
টিসিবি খুলনা অঞ্চলের ডেপুটি সিনিয়র এক্সিকিউটিভ রবিউল মোর্শেদ জানান,পণ্যের যোগান যেভাবে পাওয়া যাচ্ছে, ঠিক সেভাবেই ডিলারদের পণ্য সরবরাহ করা হচ্ছে।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জালাল উদ্দিন বলেন, এরই মধ্যে খেজুর ছাড়া বাকি পণ্যগুলো সদর উপজেলার ডিলাররা পেয়েছেন এবং বিতরণ শুরু করেছেন। এখানে পণ্যের ঘাটতি হবে না বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
জেলা প্রশাসক খলিলুর রহমান জানান, রমজানে প্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ নিশ্চিত করতে কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন:
তদন্তে বড় বাধা অকেজো সিসিটিভি, ১৩৯টির মধ্যে সংযোগ বিচ্ছিন্ন ১২৬টির
জঙ্গি টার্গেট এখন আরও স্পষ্ট ও সংহত
/জেবি/টিএন/আপ-এনএস/