এদিকে, স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা।
জানা গেছে, উপজেলায় প্রায় পাঁচ শতাধিক মন্দির ও সেবাশ্রম রয়েছে। এসব মন্দির ও সেবাশ্রমে সহস্রাধিক পুরোহিত ও সেবাইত কর্মরত রয়েছেন। ঝিনাইদহ ও পাবনার ঘটনার পর থেকে তারা আতঙ্কে দিন পার করছেন।
উপজেলার পারকোণা কেন্দ্রীয় গণেশ পাগল সেবাশ্রমের সেবাইত দিপক পান্ডে বলেন, ঝিনাইদহ ও পাবনার ঘটনার পর আমিও আতঙ্কে আছি। প্রতিদিন রাতে আমি এই সেবাশ্রমে থাকি। সন্ত্রাসীরা কখন এসে আমাকে খুন করে এই ভয়ে ভয়ে রাত কাটাই। তাই অন্যত্র চলে যাবার চিন্তা করছি।
ভট্টের বাগান নিশানাথ খোলার সাধারণ সম্পাদক পুরোহিত রতন আচার্য্য বলেন, আমার অনেক আত্মীয় স্বজন কোটালীপাড়াসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় পুরোহিতের কাজ করে। আমার অনেকের সঙ্গেই কথা হয়েছে। তারা এখন আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক পুরোহিত বলেন, হুজিনেতা মুফতি হান্নান, গাজীপুর কোর্ট চত্বরে বোমা বিস্ফোরণের অন্যতম আসামি ফ্লাক্স বোমার কারিগর জঙ্গি নেতা এনায়েত ও চট্টগ্রামে বিপুল অস্ত্রসহ গ্রেফতার জঙ্গি নেতা আমীর হোসেনের বাড়ি এই কোটালীপাড়ায়। তাই আমরা আতঙ্কে আছি।
কোটালীপাড়া থানার ওসি মোহাম্মদ কামরুল ফারুক বলেন, ঝিনাইদহ ও পাবনার ঘটনার পর আমরা এ উপজেলায় নিরাপত্তা জোরদার করেছি। তবে কোটালীপাড়ায় যে পরিমাণ মন্দির ও সেবাশ্রম রয়েছে তাতে শুধু পুলিশের পক্ষে নিরাপত্তা দেওয়া কষ্টসাধ্য। তাই উপজেলার রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাধারণ মানুষের এ ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে।
আরও পড়ুন-
/বিটি/