সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য থেকে জানা যায়, উপজেলার সাগরদীঘি দাখিল মাদ্রাসার সুপার নিয়মিত ম্যানেজিং কমিটির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পর অ্যাডহক কমিটি গঠন করার জন্য ধলাপাড়ার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. হেকমত সিকদারের কাছে পরামর্শের জন্য যান। এ সময় চেয়ারম্যান ভারপ্রাপ্ত সুপার মো. আ. কাদের এর ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে জুতা খুলে মারতে যান ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। এছাড়া ওই শিক্ষককে মাদ্রাসার চাকরি ছেড়ে অন্যত্র চলে যাওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। চলে না গেলে তাকে মেরে ফেলারও হুমকি দেন ইউপি চেয়ারম্যান হেকমত। এ সময় উপস্থিত শিক্ষক ও স্থানীয়রা ভারপ্রাপ্ত সুপারকে উদ্ধার করে নিরাপদে বাসায় পৌঁছে দেন। পরে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চেয়ে স্থানীয় ইউএনও এর কাছে একটি অভিযোগ দিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত সুপার। ঘাটাইল থানায় একটি জিডি করেছেন বলে জানান ভারপ্রাপ্ত সুপার। সংবাদ সম্মেলন উপস্থিত ছিলেন সহকারী সুপার মো. আরফান আলী, সহকারী শিক্ষক মো. ফজলুল হক, ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সদস্য মো. হাফিজ উদ্দিন ও মনছুর আলী প্রমুখ।
এদিকে ঘাটাইল জামেয়াতুল মোদারিছিন (মাদরাসা শিক্ষক সমিতি) সভাপতি অধ্যক্ষ মো. জাহিদুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মো. লিয়াকত আলী শিক্ষককে লাঞ্ছিত করা ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
বিষয়টি জানতে অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান হেকমত সিকদারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, ভারপ্রাপ্ত সুপারের সঙ্গে অ্যাডহক কমিটি নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়েছে কিন্তু শিক্ষককে লাঞ্ছনার কোনও ঘটনা ঘটেনি।
আরও পড়ুন: চাঁপাইনবাবগঞ্জে দুই চোরাকারবারি আটক
/টিএন/আপ-এআর/