ঈদ-উল-ফিতরের টানা নয় দিনের ছুটিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের পরিচিত ব্যস্ততাময় দৃশ্য পাল্টে গেছে। দু’টি মহাসড়কই একেবারে ফাঁকা।
রবিবার ছুটির তৃতীয় দিনে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়ক মোটামুটি স্বাভাবিক থাকলেও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের গজারিয়া অংশে গাড়ির সামান্য চাপ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
ভবেরচর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই কামরুজ্জামান জানান, রাস্তায় গাড়ির চাপ নেই বললে চলে। রাস্তা স্বাভাবিক থাকায় দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবে মানুষ।
এদিকে, মাওয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই মোশারফ হোসেন জানান, ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কও একদম ফাঁকা। যানবাহন নেই বললেই চলে। শিমুলিয়া ঘাটে নেই কোনও ভিড়। ফেরিগুলো ফাঁকা পড়ে আছে।
লঞ্চ এবং স্পিডবোটেও যাত্রীদের তেমন ভিড় নেই বলে জানান এসআই মোশারফ।
অন্যদিকে, সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ও বাংলাদেশ স্কাউটস রোভার অঞ্চলের সহযোগিতায় ঈদ উপলক্ষে পুলিশের পাশাপাশি ৯৯৯ জন রোভার ঢাকা ও তার আশেপাশে জেলার ১৬টি পয়েন্টে যানজট নিরসনে কাজ করছে। গত শনিবার থেকে ঈদের দিন সকাল পর্যন্ত তারা এ কাজ করবে। মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় গোমতী সেতুর পাখির মোড়ে মুন্সীগঞ্জ জেলা রোভারের বিভিন্ন কলেজ ও ওপেন ইউনিটের মোট ৪১ জন রোভার ও ৪ জন ইউনিট লিডার প্রতিদিন ৩ শিফটে সেচ্ছাসেবকের দায়িত্ব পালন করছেন। প্রথম দিনে যানজটের তেমন চাপ না থাকায় রোভাররা একরকম অলস সময় পার করেন।
রোভার লিডার কামরুল হাসান পায়েল জানান, প্রতি শিফটে ১ জন ইউনিট লিডার ও ১৪ জন রোভার কাজ করছে।
/এসএনএইচ/টিএন/
আপ: এইচকে
আরও পড়ুন: শিক্ষক রেজাউল হত্যায় রাবি শিক্ষার্থী আটক