বন্যার পানি বেড়ে যাওয়ায় জেলা সদরের বেশ কয়েকটি গ্রাম ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। বৃষ্টি ও ভেপসা গরমে গবাদি পশু নিয়ে তাদের মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে।
জেলা সদরের উড়াকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি ভবন ইতোমধ্যেই পদ্মায় বিলীন হয়েছে। ঝুঁকিতে রয়েছে বিদ্যালয়ের অবশিষ্ট কাঠামো।
সদর উপজেলার মিজানপুর ইউনিয়ন ও বরাট ইউনিয়নের সোনাকান্দর, চর সিলিমপুর, মহাদেবপুর, পূর্ব উড়াকান্দাসহ ভেড়িবাঁধের বাইরে পদ্মার চরাঞ্চলের ১০টি গ্রামের মানুষ এখন পানিবন্দি। তলিয়ে গেছে সবজিসহ বিভিন্ন ফসলের ক্ষেত। ভেসে গেছে পুকুরের মাছ।
বরাট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শেখ মনিরুজ্জামান বলেন, ‘প্রশাসনিকভাবে বন্যা কবলিত এলাকায় কোনও সহযোগিতা আসেনি। তাই স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে বাঁশ দিয়েই স্কুলভবন ও বাড়ি রক্ষার সর্বশেষ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’
উড়াকান্দা এলাকার বাসিন্দা মো. হাফিজুল ইসলাম বলেন, ‘অনেক বছর ধরেই নদী ভাঙছে। এবার পানিতে সবজিসহ ফসলের জমি তলিয়ে গেছে। ভেসে গেছে পুকুরের মাছ। ভাঙনের ফলে রাতের ঘুম এখন হারাম হয়ে গেছে।’
আছমা বেগম বলেন, ‘নদীতে এবার বাড়ি ভেঙে যাওয়ায় অসহায় জীবনযাপন করছি। এখনও পর্যন্ত কেউ কোনও সহযোগিতা করেনি।’
/এনএস/টিএন/
আরও পড়ুন: কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি