নিহত ফয়সাল বন্দরের নবীগঞ্জ শান্তিবাগ এলাকার আবদুল রশিদের ছেলে।
এলাকাবাসী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ফয়সাল বন্দর ডকইয়ার্ডের একজন শ্রমিক। সম্প্রতি ওই ডকইয়ার্ড দখলকে কেন্দ্র করে হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এর সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের যোগসাজশ থাকতে পারে। এ ছাড়া নবীগঞ্জ এলাকায় প্রভাব বিস্তার নিয়ে এলাকার বখাটে সন্ত্রাসীদের সঙ্গে দ্বন্দ্ব ছিল ফয়সালের। দ্বন্দ্বের জের ধরে শুক্রবার সন্ধ্যায় নবীগঞ্জ এলাকার ৮/৯ জন সন্ত্রাসী নবীগঞ্জ টি হোসেন গার্ডেনের সামনে ফয়সালকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়। আহত অবস্থায় পথচারীরা তাকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।
সহকারী পুলিশ সুপার (ক অঞ্চল) জানান, এলাকার প্রভাব বিস্তার নিয়ে ফয়সালকে খুন করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ফয়সালের বখাটে বন্ধুরা এর সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে।
/এইচকে/