এই ঘটনা ঘটে মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার হরিদাসদী-মহেন্দ্রদী ইউনিয়নের গোয়ালবাথান গ্রামে। মাদারীপুরের রাজৈর থানার ওসি কামরুল ইসলাম লাশ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ জানায়, ১২ জুলাই মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার বিদ্যানন্দী গ্রামে বাচ্চু মাতুব্বরের ভাগিনা সাকিব মাতুব্বরের (১২) পায়ে জোঁক ধরে। তার চিকিৎসা করা নিয়ে বাচ্চু মাতুব্বর ও সানোয়ার মোল্লার মধ্যে বাকবিতণ্ডা এবং এক পর্যায়ে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে আহত হয় তিন জন। ওই ঘটনায় বাচ্চু মাতুব্বর বাদী হয়ে প্রতিপক্ষের ১৭ জনকে আসামি করে মামলা করেন। ওই মামলার ১৩নং আসামি ছিলেন জামাল মুন্সী।
জামাল মুন্সির পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শনিবার জামাল মুন্সীকে ধরতে গোয়ালবাথান গ্রামে যায় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই অমল কুমার রায়। পুলিশ ও বাদী পক্ষের লোকজন জামাল ও সিরাজুল হক মুন্সীকে ধরার জন্য তাড়া করে। এক সময় তারা নিজেদের রক্ষা করতে বাড়ির পাশের কুমার নদীতে ঝাঁপ দেয়। পরে সিরাজুল সাঁতরে নদীর অপর প্রান্তে উঠলেও জামাল ব্যর্থ হয়। এসময় সে সকলের সামনেই পানিতে ডুবে নিখোঁজ হন।
সোমবার দুপুরে নদীর ভাটিতে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ভেড়ারবাজার থেকে জামালের লাশ উদ্ধার করা হয়।
গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ভেড়ারবাজার এলাকা থেকে লাশ বাড়িতে আনার পর সেখানে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের সৃষ্টি হয়। কান্নায় ভেঙে পড়েন তার গর্ভবতী স্ত্রী, সন্তান ও স্বজনরা।
/এনএস/