গোপালগঞ্জে শিশু নাহিদ হত্যার রহস্য উদ্ঘাটিত

গোপালগঞ্জ

 গোপালগঞ্জে সেপটিক ট্যাংকের ভেতর থেকে উদ্ধারকৃত ৪ বছরের শিশু নাহিদ হত্যার রহস্য উদ্ঘাটিত হয়েছে। বুধবার বিকেলে গোপালগঞ্জের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. দলিল উদ্দিনের আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে শিশুটির মামী ফাতেমা বেগম (২২)হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দী দিয়েছেন।

ফাতেমা বেগম পারিবারিক দ্বন্দ্বের জের ধরে অন্যদের সহায়তায় নাহিদকে  হত্যা করে সেপটিক ট্যাংকের মধ্যে লুকিয়ে রাখেন বলে আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন।

এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোপালগঞ্জ পিবিআই-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিলু বিশ্বাস। তিনি আরও জানান, শিশুটি মুকসুদপুর উপজেলার গোয়া বাহারা গ্রামে নানা আদম আলি শেখের বাড়িতে থাকত। নানাই তাকে লালন পালন করছিলেন। নাহিদের বাবা জনি শেখ ও মা ঢাকার গেন্ডারিয়া এলাকায় বসবাস করেন। ২২ ফেব্রুয়ারি নানা বাড়ি থেকেই নিখোঁজ হয় নাহিত। ওই দিনই তাকে হত্যা করে লাশ সেপটিক ট্যাংকের মধ্য লুকিয়ে রাখে ঘাতকরা। গত ২৫ ফেব্রুয়ারি নানা বাড়ির সেপটিক ট্যাংকের মধ্য থেকে নাহিদের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে এই ঘটনায় শিশুর বাবা আবুল হাসান জনি বাদী হয়ে মুকসুদপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এরপর মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তদন্ত শুরু করে। গত ৩১ জুলাই শিশুর মামি ফাতেমা বেগমকে পিবিআই গ্রেফতার করে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এক পর্যায়ে তিনি  হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। নাহিদকে আব্দুল হক সরদার (৪০), খায়রুল ঢালী (৩৫) ও লিটনের (২৮) সহায়তায় হত্যা করে লাশ গুম করার জন্য সেপটিক ট্যাংকে লুকিয়ে রাখা হয় বলে ফাতেমা স্বীকার করে। পুলিশ এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত ওই তিনজনকে গ্রেফতার করেছে বলে জানান ওই  কর্মকর্তা।

/জেবি/

আরও পড়তে পারেন : রাজবাড়ীতে অস্ত্র-গুলিসহ চরমপন্থী গ্রেফতার