বৃহস্পতিবার রাতে ৮টায় তাকে সাময়িক বরখাস্তের পর সোনারগাঁও থানা থেকে প্রত্যাহার করে নারায়ণগঞ্জ পুলিশ লাইনে পাঠানো হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক মামুনুর রশিদ মণ্ডল জানান, বুধবারের ঘটনার পর বৃহস্পতিবার জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মতিয়ার রহমানকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগ প্রমাণিত হয় এএসআই ফখরুলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, বুধবার বিকালে একটি মোটরসাইকেলে করে এএসআই ফখরুল ইসলাম ও কনস্টেবল আরিফুর সাদা পোশাকে সোনারগাঁও পৌরসভা এলাকার রাইজদিয়া গ্রামে পান দোকানদার আবদুল মতিনকে মাদক বিক্রেতা আখ্যা দিয়ে ধাওয়া করে। যদিও নিহতের পরিবার বলছে, মোটরসাইকেল আবদুল মতিনের ওপর উঠিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদ করায় ফখরুল ইসলাম ও আরিফুর মিলে মতিনের ওপর চড়াও হয় ও পরে মতিনকে পানিতে চুবিয়ে হত্যা করে। পরে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী আরিফুরকে অবরুদ্ধ করে ইটপাটকেল ছুড়ে ও গণপিটুনি দিলে সে মারা যায়। তবে পুলিশ বলছে, মতিন মাদক বিক্রেতা ও সেবনকারী। পুলিশ দেখে সে পালানোর চেষ্টা করলে তাকে ধাওয়া করা হয়। ওই ঘটনায় বৃহস্পতিবার সকালে পুলিশের সহকারী পরিদর্শক (এসআই) আলামিন তালুকদার বাদী হয়ে ১৩ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৩০-৩৫ জনকে আসামি করে মামলা করেছে।
আরও পড়ুন: গণপিটুনিতে নিহত পুলিশ কনস্টেবলের দাফন সম্পন্ন
/এআর/