পানিবন্দি হয়ে পড়েছে কোটালীপাড়া উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ। ভারীবর্ষণ ও জোয়ারের পানিতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়ে এলাকায় জনদুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। পানিতে তলিয়ে গেছে নিম্নাঞ্চলের অনেক বাড়ি-ঘর। ভেসে গেছে মাছের ঘের, নষ্ট হয়ে গেছে রাস্তা।
কুশলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম বাদল বলেন, ‘আমার ইউনিয়নের ধোড়ার, বানিয়ারী, জামুলা, তিলবাড়ী ও চৌরখুলী গ্রাম প্লাবিত হবার কারণে অনেক বাড়ি, গ্রামীণ রাস্তা ও অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।’
কান্দি ইউপি চেয়ারম্যান উত্তম কুমার বাড়ৈ বলেন, ‘আমার ইউনিয়নের মানুষ মাছ চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করে। বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে মাছ ভেসে গেছে। ঋণের বোঝা নিয়ে মাছচাষীরা দিশেহারা হয়ে পড়েছে। গ্রামবাসীদের দুর্দশা চরম আকার ধারণ করেছে।’
কোটালীপাড়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিলাল হোসেন বলেন, ‘হঠাৎ বৃষ্টিতে পানি বেড়ে যাওয়ায় উপজেলার নিম্মাঞ্চলগুলো প্লাবিত হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আমার উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। প্লাবিত এলাকার মানুষকে আমরা সব প্রকার সাহায্য সহযোগিতা করবো।’
- ফারাক্কা বাঁধ খুলে দেওয়ায় কুষ্টিয়ায় এক লাখ মানুষ পানিবন্দি
- ‘ভারত ফারাক্কার সব গেট খুলে দিলেও কোনও সমস্যা হবে না’
/এমও/