কাজী রিয়াজুল হক বলেন, ‘ইতোমধ্যে বাংলাদেশে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে জনমত সৃষ্টি হয়েছে। মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। সমন্বিত প্রয়াস ও সমাজিক আন্দোলনের মধ্যদিয়ে আমাদের সন্ত্রাস জঙ্গিবাদ রুখে দিতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘মানবাধিকার হচ্ছে মানুষের বেঁচে থাকার অধিকার নিশ্চিত করা। পাকিস্তান সৃষ্টির পর শাসকগোষ্ঠী আমাদের অন্ন, বস্ত্র, শিক্ষা, বাসস্থান চিকিৎসা নিয়ে বিমাতাসুলভ আচরণ শুরু হয়েছিল। বঙ্গবন্ধু মানুষের অন্ন, বস্ত্র, শিক্ষা, বাসস্থান চিকিৎসা তথা মানবাধিকার নিশ্চিত করতে আজীবন লড়াই সংগ্রাম করেছেন। তিনি ৭১ এর ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলার আহবান জানিয়ে স্বাধীনতার সংগ্রামের ডাক দেন। তার ডাকে সাড়া দিয়ে আমরা ৯ মাসে দেশকে স্বাধীন করেছি। বঙ্গবন্ধুর সোনার বংলা আমারা গড়ে তুলতে পারনি। আমরা ৭১-এর মতো ঘরে ঘরে দুর্গো গড়ে তুলে বাংলাদেশকে জঙ্গি ও সন্ত্রাসমুক্ত করে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সোনার বাংলা গড়ে তুলব।’
জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী জাতীসংঘের সহস্রাব্দ উন্নয় লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করে দেশকে বিশ্বের কাছে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত করেছেন। বাংলাদেশের মানুষের ক্ষুধা দারিদ্র্য দূর হয়েছে। শিক্ষার হার বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি মানুষের মাথা গোঁজার ঠাঁই করে দিয়েছেন। চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করেছেন। বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে। জাতিসংঘ আমাদের বিরল সম্মান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চ্যাম্পিয়ন অবদা আর্থ পুরস্কারে ভূষিত করেছে। বিদেশে গেলে তারা এখন আমাদের মর্যাদা ও সম্মান দেয়।’
/এমএনএইচ/