বাবা-মার ৮ ছেলে ও ৬ মেয়ের মধ্যে পিন্টু ছিলেন সবার ছোট। পৈতৃক সূত্রে বিত্তশালী পিন্টু মাঝে-মাঝে জমি কেনা-বেচার কাজ করতেন বলে জানান তার ভাগিনা ইমতিয়াজ উদ্দিন আহমেদ।
কমলাপুর এলাকার ব্যবসায়ী মো.আসলাম মোল্লা জানান,অভিভাবকরা সন্তানকে যথাযথ শাসন না করা এবং অন্যায় আবদার রাখার পরিণতিতেই আজ মুগ্ধর বাবা পিন্টুকে জীবন দিতে হলো।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত রোজার মাসে রাতের দিকে মুগ্ধ এলাকার তেঁতুলতলার মোড়ে এক দোকানের চাল খুলে টাকা ও জিনিসপত্র চুরি করে ধরা পরে। কিন্তু সে সময়ে তার অভিভাবকরা যথাযথ ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ করেন দোকানদার মো. রিমন।
উল্লেখ্য, নতুন মডেলের মোটরসাইকেল না পেয়ে গত বৃহস্পতিবার বিকালে ফরিদপুর শহরে নিজের মা-বাবার শরীরে আগুন দেয় তাদের একমাত্র কিশোর ছেলে মুগ্ধ। এতে রফিকুল হুদা গুরুতরভাবে দগ্ধ হন। তার স্ত্রী সিলভিয়া হুদা ও ওই ছেলে সামান্য দগ্ধ হন। পরে এলাকাবাসী তাদের উদ্ধার করে প্রথমে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে রফিকুলের অবস্থার অবনতি হওয়ায় গত শুক্রবার তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের স্থানান্তর করা হয়। পরে বুধবার ভোরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ডিএমসি) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তার শরীরের ৬০ শতাংশ আগুনে পুড়ে গিয়েছিল। এটিএম রফিকুল হুদা ছিলেন সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার এটিএম শামসুল হুদার ছোট ভাই।
আরও পড়ুন: ছেলের দেওয়া আগুনে অবশেষে মারা গেলেন বাবা
/এআর/টিএন/