টাম্পাকো দুর্ঘটনায় এখনও ১১ জন নিখোঁজ রয়েছেন। পুলিশ জানায়, নিখোঁজ প্রত্যেকের দু’জন করে মোট ১৮ জন স্বজন রক্ত ও লাল দিয়েছেন। আগামী রবিবার আরও কয়েকজনের কাছ থেকে এ নমুনা সংগ্রহ করা হবে।
টঙ্গী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ও টাম্পাকোর ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সুমন ভক্ত জানান, নিখোঁজ শ্রমিক জয়নুল আবেদিন (৩৮), অপারেটর রেদোয়ান আহম্মদ (৩৭), স্কুটিং অপারেটর মো. অনিসুর রহমান (৩০), সহকারি অপারেটর মো. জহিরুল ইসলাম (৩৮), অপারেটর রিয়াজ হোসেন মুরাদ (২২), আজিম উদ্দিন (৩৫), নাসির উদ্দিন (৩৫), মাসুম আহমেদ (৩০) ও রফিকুল ইসলামের (৩০) স্বজনরা ডিএনএ নমুনা (লালা ও রক্ত) দিয়েছেন। বাকি দু’জন মামুন (২৮) ও চুন্নু মোল্লার (২২) স্বজনরা রবিবার রক্ত ও লালা দেবেন।
এসআই সুমন বলেন, দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে ছয়জনের কোনও পরিচয় মেলেনি। তাদের লাশ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে রয়েছে।
প্রসঙ্গত, ১০ সেপ্টেম্বর ভোরে টঙ্গীর বিসিক শিল্প নগরীতে বিস্ফোরণের পর অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় টাম্পাকো ফয়েলস কারখানা বিধ্বস্ত হয়। নিহত হয় ৩৫ জন। ঘটনা তদন্তে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, গাজীপুর জেলা প্রশাসন, শিল্প মন্ত্রণালয়, ফায়ার সার্ভিস ও তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে মোট পাঁচটি পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। টাম্পাকো মালিকের বিরুদ্ধে হত্যাসহ বিভিন্ন আইনে দুটি মামলা হয়েছে।
/এআরএল/
আরও পড়ুন: বাবাকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় ছেলের বিরুদ্ধে মামলা