এদিকে দুর্ঘটনার সময় মাইক্রোবাসে চালকসহ অন্তত তিনজন ছিল বলে ধারণা করা হলেও ওই গাড়ির প্রকৃত চালক মোহাম্মদ রুবেল জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার সময় জালালউদ্দিন রুমি নামের একজন মাইক্রোবাসটি চালাচ্ছিলেন। আর কোনও যাত্রী ছিল না। পরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সেতুর রেলিং ভেঙে মাইক্রোবাসহ ধলেশ্বরী নদীতে পড়ে যান জালালউদ্দিন রুমি।
শুক্রবার মধ্যরাত পৌনে ১ টার দিকে ধলেশ্বরী নদীতে মাইক্রোবাসটি পড়ে যাওয়ার এ ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
ক্তারপুর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই মোশারফ হোসেন জানান, মুক্তারপুর পাশের পশ্চিম দিকের রেলিং ভেঙে প্রাইভেটকারটি ধলেশ্বরীতে পড়ে ডুবে যায়। ঘটনার পর রাত ২ টার সময় নদীর তলদেশ প্রায় ৬০ ফুট পানির গভীরে মাইক্রোবাসটির বাম্পার পাওয়া যায়। পরে শনিবার সকাল সাড়ে ৯ টায় দ্বিতীয় দফায় উদ্ধার কাজ শুরু হলে ১০ টার দিকে প্রইভেটকারটি শনাক্ত করে ডুবুরিদল। তবে সন্ধান মিলেনি নিখোঁজ জালালউদ্দিন রুমির।
আরও পড়ুন-
৩৩ মিনিটের অভ্যর্থনা, ৬ ঘণ্টার যানজট!
/এফএস/