গাজীপুর ট্রাফিকের জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) সাখাওয়াত হোসেন বলেন, গাজীপুর মহানগরের ভোগড়া এলাকায় মহাসড়কের পাশে সাহাব উদ্দিন মেডিক্যাল কলেজের সম্প্রসারিত ভবন ও কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স করার উদ্যোগ নেয় কলেজ কর্তৃপক্ষ। এজন্য ভবনের সামনে পর্যাপ্ত পার্কিং প্লেস ও বাধাহীন চলাফেরার জন্য প্রয়োজনীয় জায়গা রাখা বাধ্যতামূলক। নকশা অনুমোদনের জন্য কলেজ কর্তৃপক্ষ এক বছর আগে গাজীপুর ট্রাফিকের কাছে ছাড়পত্রের আবেদন করে। ওই নকশাটিতে নানা অসঙ্গতি থাকায় আবেদনটি ফিরিয়ে দেওয়া হয়। তারা জায়গা ও নকশা পরিবর্তন করে পরপর তিনবার অনুমোদনের আবেদন করে, যেসবের মধ্যে অসঙ্গতি থেকেই যায়।
সবশেষ সপ্তাহখানেক আগে ওই প্রশাসনিক কর্মকর্তা নকশাসহ প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব একটি খামে ১০ হাজার টাকা তার (এএসপি) কার্যালয়ের অফিস সহকারীর কাছে রেখে আসে। পরে প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে খবর পাঠালে বুধবার সকাল ১০টায় তিনি ট্রাফিকের জেলা কার্যালয়ে আসেন। সেখান থেকে তাকে জয়দবেপুর থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
এ ব্যাপারে সাহাব উদ্দিন মেডিকেল কলেজের চেয়ারম্যান সাহাব উদ্দিন জানান, নকশা অনুমোদনের জন্য বেশ কয়েকবার ট্রাফিকের কার্যালয়ে আবেদন পাঠানো হয়। নকশায় যতবার সমস্যা ছিল ততবারই সংশোধন করে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু টাকা বা উৎকোচের বিষয়টি তার জানা নেই।
জয়দেবপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফিরোজ জানান, এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।
আরও পড়ুন:
উপজেলা চেয়ারম্যানের ওপর হামলা মামলায় এমপির জামিন
/বিটি/