নিহতরা হলেন আমিরাবাদ গ্রামের আলতাফ মিয়ার ছেলে মানিক মিয়া (২৫) এবং সোনাকান্দী গ্রামের অরব আলীর ছেলে খোকন মিয়া (৪০) ও একই গ্রামের মঙ্গল মিয়ার ছেলে মামুন মিয়া (২৫)। নিলক্ষা গ্রামের আব্দুস সালামের ছেলে শাহজাহান মিয়া (৪০)।
স্থানীয়রা জানান, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে নিলক্ষা ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম ও সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হকের সমর্থকরা সকাল থেকে টেঁটা, বল্লম ও ককটেলসহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। এ সময় অর্ধশতাধিক বাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ফাঁকা গুলি ছোড়ে। এ সময় পুলিশের গুলি, ককটেল, টেঁটা, বল্লমের আঘাতে পাঁচ পুলিশসহ উভয় পক্ষের কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়। এ সময় নিহত হন তিনজন। পরে টেঁটাবিদ্ধ অবস্থায় প্রথমে নরসিংদী সদর হাসপাতাল ও পরে ঢাকায় হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যায় শাহাজাহান মিয়া নামে আরও একজন। নিহতদের পরিবারের দাবি পুলিশের গুলিতে তাদের মৃত্যু হয়েছে। পরে রায়পুরা থানা পুলিশসহ নরসিংদী থেকে অতিরিক্ত পুলিশ দিনভর চেষ্টা করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাসিবুল আলম পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গুলিবর্ষণের কথা স্বীকার করলেও তাৎক্ষনিকভাবে নিহতের তথ্য জানাতে পারেননি।
প্রসঙ্গত, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে শনিবার সন্ধ্যায় বর্তমান চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম ও সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হকের সমর্থকদের মধ্যে প্রথম দফা সংঘর্ষ হয়। এরপর রবিবার দিনভর তারা সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।
/বিটি/এআর/