মুন্সীগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশের লাঠিচার্জের ঘটনায় ১০জন আহত হওয়ার অভিযোগ করেছেন মুন্সীগঞ্জ বিএনপির নেতাকর্মীরা।
লাঠিচার্জের অভিযোগ অস্বীকার করেছে পুলিশ। কেন্দ্রীয় ঘোষণা অনুযায়ী ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসে জন্মদিন পালনের মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করার প্রতিবাদে সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ওই বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হতে থাকে।
এ ঘটনায় মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, জেলা বিএনপির যুগ্ম-সম্পাদক আতোয়ার হোসেন বাবুল, কোষাধ্যক্ষ হাবিবুর রহমান হাবিব চেয়ারম্যান, সদর উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব হাসান সোহাগসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে ছাত্রদল নেতা মাহবুব হাসান সোহাগকে বেধড়ক লাঠিপেটা করে পুলিশ আটক করে নিয়ে যায়। পরে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। সোমবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে মুন্সীগঞ্জ শহরের থানারপুল এলাকায় জেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয় চত্বরে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির নেতা কর্মীরা দলীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করতে চাইলে পুলিশ তা আটকে দেয়। সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে ছাত্রদল, যুবদল, সেচ্ছাসেবকদল, শ্রমিক দলসহ বিভিন্ন দলের নেতা কর্মীরা কর্মসূচিতে অংশ নেয়। বিক্ষোভ মিছিলের প্রস্তুতি নিয়ে পার্টি অফিস থেকে রাস্তায় নেমে আসার সময় পুলিশ বেধড়ক লাঠিচার্জ শুরু করে।
দলটির স্থানীয় নেতারা জানান, বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির প্রতিবাদে বিভিন্ন স্থান থেকে দলীয় নেতাকর্মীরা পার্টি অফিসে এসে জড়ো হতে থাকেন। আহতদের সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ওসি (তদন্ত) মো. মফিজুর রহমান জানান, পুলিশের পক্ষ থেকে কোনও লাঠিচার্জ করা হয়নি। দলীয় কার্যালয়ে তাদের সমাগম বেশি থাকায় আমরা অবস্থান করি। পরে আমাদের উপস্থিতি দেখে তারা বিভিন্ন স্থানে চলে যায়।
/এইচকে/আপ-এআর/