কারখানার একটি সূত্র জানায়, সেচ মৌসুমে নিরবিচ্ছিন্নভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য চলতি বছরের গত ৪ এপ্রিল আশুগঞ্জ সার কারখানাসহ দেশের সবগুলো সার কারখানার গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দিয়ে বন্ধ বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো চালুর উদ্যোগ নেয় সরকার। কারখানা চালু করতে প্রতিদিন ৪৮ থেকে ৫২ এম এম সি এফ গ্যাস প্রয়োজন।
কারখানার মহাব্যাবস্থাপক (উৎপাদন) ওমর খৈয়াম সাংবাদিকদের জানান, গ্যাস সরবরাহ বন্ধের কারণে দীর্ঘ ৬ মাস গ্যাস সরবরাহ বন্ধের পর গত ৬ অক্টোবর আশুগঞ্জ সার কারখানার গ্যাস সরবরাহ দেওয়া হয়। গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হলেও দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় কারখানার বিভিন্ন যন্ত্রাংশে ত্রুটি দেখা দেয়ায় মেরামত শেষে আজ সকাল থেকে শুরু হয়েছে কারখানা ইউরিয়া সার উৎপাদন। তবে কারখানায় পর্যাপ্ত পরিমাণে সার মজুদ থাকায় কমান্ড এরিয়াভুক্ত জেলায় সার সংকট দেখা দেয়নি এবং সার সরবরাহ স্বাভাবিক ছিল।
/এআর/