পরীক্ষার্থীরা জানান, আজ শারীরিক শিক্ষা বিষয়ের পরীক্ষা চলছিল। লিখিত পরীক্ষা শেষে নৈব্যত্বিক পরীক্ষা শুরু হলে এক শিক্ষক রুমে এসে তাদের বলে সবাই ‘ক’ সেট এর উত্তরপত্র ভরাট করে। শিক্ষকের কথা মতো প্রায় সব পরীক্ষার্থীই ‘ক’ সেট উত্তরপত্র ভরাট করে।
বিষয়টি দায়িত্বরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এর নজরে এলে তিনি জেলা প্রশাসককে অবহিত করেন। খবর পেয়ে জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(শিক্ষা) ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটসহ ঊধ্বর্তন কর্মকর্তারা ওই বিদ্যালয় কেন্দ্রে যান।
জেলা প্রশাসক উম্মে সালমা তানজিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘নৈব্যত্তিক পরীক্ষায় ৪ সেট প্রশ্ন। যে যেই সেট প্রশ্ন পাবে তাকে সেই সেট এর উত্তরপত্র ভরাট করতে হবে। সেখানে কক্ষের সবাই একটি সেট এর উত্তরপত্র ভরাট করে। পরীক্ষার্থীদের এই অসদুপায় অবলম্বনে সরাসরি সম্পৃক্ত থাকায় শিক্ষকদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, যে ৭১ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে এদের ব্যাপারে পরবর্তী সিদ্ধান্ত বোর্ড গ্রহণ করবে। আজকেই (বৃহস্পতিবার) ওই কেন্দ্রে নতুন সচিব নিয়োগ দেওয়া হবে। /এমডিপি/