এ সময় মঈন আজিজ কাছ থেকে ৩০টি মোবাইল ফোন ও ৩টি ল্যাপটপট উদ্ধার করা হয়েছে। এগুলো প্রতারণা কাজে ব্যবহৃত হতো বলে ধারণা করছে পুলিশ।
প্রতারণার শিকার কামাল হোসেন নামে এক ব্যক্তির অভিযোগের বরাত দিয়ে ফতুল্লা মডেল থানার ওসি কামালউদ্দিন জানান, যাত্রীবাহী একটি বাসে পরিচয়ের সূত্র ধরে সম্প্রতি কামাল হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে চাকরি দেওয়ার নাম করে ২৫ হাজার টাকা ও মোবাইল সেট হাতিয়ে নেয় মঈন আজিজ। তখন তিনি নিজেকে সেনাবাহিনীর কর্নেল পরিচয় দেন। পরে কামাল হোসেন ফতুল্লা মডেল থানায় প্রতারণার অভিযোগ দেন। ওই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে মঙ্গলবার রাতে আটক করা হয়।
ওসি আরও জানান, শহরের জামতলায় মঈন আজিজ সুজনের ৪ তলা বিল্ডিংয়ের থাকলেও মূলত তিনি বেকার। কোনও কাজকর্ম না করে নিজেকে কর্নেল পরিচয় দিয়ে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করাই তার কাজ। তার টেলিফোন বিলেও নামের আগে লে. কর্নেল উল্লেখ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
/জেবি/এআর/