শিক্ষার্থীদের দাবি, হলটি দীর্ঘদিন ধরে অবকাঠামোগত নানা সমস্যায় জর্জরিত। সমস্যা সমাধানে একাধিকবার হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক এ কে এম জসীম উদ্দীনের কাছে ধরনা দিলেও তিনি কর্ণপাত করেননি। অন্যান্য হলের তুলনায় ন্যূনতম আবাসিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত এই হলের শিক্ষার্থীরা।
উৎসব-উপলক্ষ ছাড়া প্রভোস্ট অধ্যাপক এ কে এম জসীম উদ্দীন নিয়মিত হলে আসেন না বলে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষার্থী বলেন, ‘হলের অধিকাংশ ব্লক ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় আমরা প্রতিনিয়ত ধস আতঙ্কে থাকি। এছাড়া হলে পর্যাপ্ত বেড, পড়ার টেবিল, চেয়ার, ডেস্ক নেই। কক্ষগুলোতে লকার না থাকায় প্রায়ই চুরির ঘটনা ঘটে। নিয়ামানুযায়ী, হল অফিসে লিখিত আবেদন করলেও অবস্থার পরিবর্তন হয়নি। তাই আমরা তালা লাগাতে বাধ্য হয়েছি।’
এ বিষয়ে প্রভোস্ট অধ্যাপক এ কে এম জসীম উদ্দীন বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের দাবি-দাওয়ার ব্যাপারে আমি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জানিয়েছি। প্রশাসনের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছি।’
উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালে স্থাপিত হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম আবাসিক হল আল-বেরুনী হল। এরপর ১৯৮২ সালে আল-বেরুনী হল মূল ভবন থেকে দূরে টিনশেড সম্প্রসারিত ভবন নির্মিত হয়। ভবন পৃথক হলেও প্রশাসনিকভাবে এক হল হিসেবে গণ্য হয়ে আসছে।
/বিএল/
আরও পড়ুন:
রাবিতে ভাস্কর্য উল্টিয়ে প্রতিবাদ জানালো শিক্ষার্থীরা