নিহতের ছোট ভাই বুলবুল জানান, গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তার ভাইয়ের সঙ্গে প্রতিবেশী হারুন মোল্লা ও জালাল মিয়ার তিন ছেলে বিল্লাল, জামাল ও রাসেলের বিরোধ ছিল। নির্বাচন শেষ হওয়ার পরও তাদের মধ্যে একাধিকবার কথা কাটাকাটি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এই বিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগও দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, সম্প্রতি উভয় গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয় ও বাড়িঘরে লুটপাটের ঘটনা ঘটে। হামলার আশংকায় বাড়ি ছেড়ে ঢাকায় মিরপুর-১ এ শশুর বাড়িতে অবস্থান করছিলেন সোহেল। তবে শুক্রবার রাতে তাকে কৌশলে শশুরবাড়ি থেকে গজারিয়া হোসেন্দীতে ডেকে এনে লোহার বড় ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে আহত করে দুর্বৃত্তরা। জামালদী ব্র্যাক অফিসের সামনে তাকে ফেলে রেখে চলে যায় হামলাকারীরা। পরে রাত সোয়া ১টার দিকে সোহেলকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায় টহল পুলিশ। আঘাত গুরুতর হওয়ায় গজারিয়া স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান চিকিৎসক। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে তিনি মারা যান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে গজারিয়া থানার অফিসার্স ইনচার্জ মো. হেদায়াতুল ইসলাম ভূঞা জানান, ‘লাশ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। হামলাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত। আমাদের তদন্ত চলছে তবে এখনও পর্যন্ত কোনও লিখিত অভিযোগ পাইনি।’
/এফএস/
আরও পড়ুন-
কী থাকছে বিএনপির ‘ভিশন ২০৩০’-এ?