২০১৬ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি এই কর্মকর্তা চরভদ্রাসনে প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তাদের জন্য নির্ধারিত তটিনি ভবনে এসে ওঠেন। কোনও ধরনের বরাদ্দ ছাড়াই গত ১৫ মাস ধরে তিনি সেখানে গোপনে বসবাস করছেন বলে জানা গেছে। মে মাসে উপজেলার মাসিক সমন্বয় কমিটির সভায় উপজেলার সরকারি ভবন বরাদ্দের বিষয়টি আলোচনায় আসে।
এ বিষয়ে কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম বিশ্বাস বলেন, ‘আমার নামে কোনও বাসা বরাদ্দ নেই। আমি যোগদানের পর ডরমেন্টরিতে একটি শয্যা বরাদ্দ চেয়েছিলাম। কোন শয্যা না দেওয়ায় আমি তটিনি ভবনে থাকতে শুরু করি। বরাদ্দ ছাড়া সরকারি ওই ভবনে আমি একা থাকিনি। আরও দুই সরকারি কর্মকর্তা আমার মতোই থাকেন।’
‘ভাড়া পরিশোধ না করা কোনও সমস্যা নয়’ মন্তব্য করে জাহিদুল বলেন, ‘আমি সরকারি সব টাকা পরিশোধ করে দিলেই হলো।’
উপজেলা পরিষদের বাসা বরাদ্দ দেওয়ার জন্য যে কমিটি রয়েছে তার সদস্য সচিব উপজেলা প্রকৌশলী নূর মোহাম্মদ মোল্যা বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান ও অন্যান্যদের সঙ্গে আলাপ করে বকেয়া ভাড়া নির্ধারণ করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
/এফএস/
আরও পড়ুন-
‘মোরা’র আঘাতে কক্সবাজারে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সংখ্যা ৫২ হাজার ৫৩৯