জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, রূপগঞ্জের পূর্বাচল উপর শহরের তিন ও পাচঁ নং সেক্টরের একটি লেক থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া আসামি শান্তর দেওয়া তথ্যানুযায়ী উপজেলার গুতিয়াবো এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাব্বিরকে আটক করা হয়। শান্ত এই গুলিগুলো সাব্বিরের কাছে লুকিয়ে রাখতে দিয়েছিল বলে জানায়। পরে তার সাব্বিরের দেওয়া তথ্য মতে গুতিয়াবো এলাকার সোলায়মান মিয়ার বাড়ির পাশে বাঁশঝাড়ের ভেতর থেকে প্লাস্টিকের ২টি বাক্সে রাখা ৩১৫ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
প্রসঙ্গত, গত ১ জুন রূপগঞ্জের পূর্বাচল উপশহর এলাকার ৫নং সেক্টরের একটি লেক থেকে ৬৭টি সাব মেশিন গান(এসএমজি), দূরবীক্ষণযুক্ত দুটি রকেট লঞ্চার, ৪৪টি ম্যাগাজিন, শেল ৬০টি, ৫টি চায়নিজ পিস্তল, দুটি ওয়াকিটকি, ৪২টি হ্যান্ড গ্রেনেড ও বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রিক ডিভাইসসহ বিপুল পরিমাণ বোমা তৈরির সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি শফিকুল ইসলামকে আহ্বায়ক করে ১২ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটিকে ১২ কার্য দিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। ওই ঘটনায় জেলা ডিবি পুলিশের ইন্সপেক্টর মাহমুদুল ইসলাম বাদী হয়ে ৬ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। ৬ জনের মধ্যে ৫ জনকে ইতোমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলাটি বর্তমানে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ থেকে সিআইডিতে হস্তান্তর করা হয়েছে।
/এআর/