সেতু কর্তৃপক্ষ পূর্বের দুটি ধসে যাওয়া স্থানে সামান্য কিছু বালুর বস্তা ফেললেও এ বাধঁটি রক্ষার জন্য এখন পর্যন্ত জোরালো কোনও কার্যক্রম শুরু করেনি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
তাদের অভিযোগ, একটি অসাধু মহল বাঁধের কোল ঘেঁষে বালু উত্তোলনের ফলে নিচের অংশের মাটি সরে যাওয়ায় এ ধসের ঘটনা ঘটেছে। সেতু কর্তৃপক্ষের সঠিক তদারকি ও গাফলতির কারণে বাঁধটির এ অবস্থা বলে জানান স্থানীয়রা।
সেতুর তত্ত্বাবধানে থাকা প্রকৌশলী মো. ওয়াশিম আলী বলেন, ১০০ মিটার পাথর ও ১৮ মিটার ব্লক দিয়ে ২০০৩ সালে বঙ্গবন্ধু সেতুরক্ষার জন্য বাঁধটি নির্মাণ করা হয়েছিল। আকস্মিকভাবে সেতুর গাইড বাঁধে ধস শুরু হয়েছে। তবে বাঁধ রক্ষার্থে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
শাহপরীর দ্বীপ থেকে দুই শিশুসহ চার রোহিঙ্গার লাশ উদ্ধার