বঙ্গবন্ধু সেতুরক্ষা বাঁধে ধস

বঙ্গবন্ধু সেতুরক্ষা বাঁধে ধসবঙ্গবন্ধু সেতুরক্ষা বাঁধের পূর্ব পাড়ে গড়িলাবাড়ি অংশের মূল গাইড বাঁধের ২০০ মিটারসহ প্রায় ৫০০ মিটার এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। বুধবার (৩০ আগস্ট) সকাল থেকে এ ভাঙন ও ধস শুরু হয়। ভাঙন এখনও অব্যাহত রয়েছে। ফলে সেখানে থাকা কমপক্ষে ১৫টি বসতভিটা নদী গর্ভে চলে গেছে। এতে হুমকিতে পড়েছে বঙ্গবন্ধু সেতু।

সেতু কর্তৃপক্ষ পূর্বের দুটি ধসে যাওয়া স্থানে সামান্য কিছু বালুর বস্তা ফেললেও এ বাধঁটি রক্ষার জন্য এখন পর্যন্ত জোরালো কোনও কার্যক্রম শুরু করেনি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

তাদের অভিযোগ, একটি অসাধু মহল বাঁধের কোল ঘেঁষে বালু উত্তোলনের ফলে নিচের অংশের মাটি সরে যাওয়ায় এ ধসের ঘটনা ঘটেছে। সেতু কর্তৃপক্ষের সঠিক তদারকি ও গাফলতির কারণে বাঁধটির এ অবস্থা বলে জানান স্থানীয়রা।

বঙ্গবন্ধু সেতুরক্ষা বাঁধে ধসবাঁধটি ভেঙে যাওয়ায় চরম হুমকিতে পড়বে বঙ্গবন্ধু সেতু। এছাড়াও বাধেঁর পাশের ৭টি গ্রাম গড়িলাবাড়ি, বেলটিয়া, আলীপুর, বুরুপ বাড়ি, পৌলির চর, দৌগাতি ও বেঁড়িপটল একেবারে বিলীন হয়ে যাবে।

সেতুর তত্ত্বাবধানে থাকা প্রকৌশলী মো. ওয়াশিম আলী বলেন, ১০০ মিটার পাথর ও ১৮ মিটার ব্লক দিয়ে ২০০৩ সালে বঙ্গবন্ধু সেতুরক্ষার জন্য বাঁধটি নির্মাণ করা হয়েছিল। আকস্মিকভাবে সেতুর গাইড বাঁধে ধস শুরু হয়েছে। তবে বাঁধ রক্ষার্থে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন:

শাহপরীর দ্বীপ থেকে দুই শিশুসহ চার রোহিঙ্গার লাশ উদ্ধার