আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হক জানান, মামলাটি তদন্তের জন্য জেলা গোয়েন্দা পুলিশেল কাছে হস্তান্তরের নির্দেশ দিয়েছেন পুলিশ সুপার মঈনুল হক। নিদের্শ অনুযায়ী মামলার যাবতীয় কাগজপত্র ডকেট জেলা গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান বলেন, মামলাটি আমাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আমরা মামলাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবো।
উল্লেখ্য, গত ১ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বিকালে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার মেঘনা নদী বেষ্টিত চরাঞ্চল কালাপাহাড়িয়া এলাকার রাধানগর এলাকায় কোরবানীর পশুর হাটের টাকার ভাগাভাগি ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ হয়। এতে পুলিশ কনস্টেবল রুবেল মাহমুদ সুমন নিহত হন। আহত হয় উভয়পক্ষের কমপক্ষে ৩০ জন। সংঘর্ষের সময় ৪টি বাড়িতে অগ্নিসংযোগসহ ১০টি বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।
এই ঘটনায় নিহত পুলিশ কনস্টেবল রুবেল মাহমুদ সুমনের (ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটে পুলিশ কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন) বড় ভাই কামাল হোসেন বাদী হয়ে আড়াইহাজার থানায় কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলামকে প্রধান আসামি করে ৩২ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ২০/২৫ জনকে আসামি করে এই হত্যা মামলা দায়ের করেন।