ধর্ষণের শিকার শিশুটির বড় চাচা জানান, শুক্রবার (৮ সেপ্টেম্বর) তার ছোট ভাইয়ের বৌ-ভাতের অনুষ্ঠান ছিল। ওই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে তাদের বাড়িতে সঙ্গীতানুষ্ঠান চলছিল। শুক্রবার ভোরে রান্নার কাজ সেরে তার ভাতিজি হাত ধুতে বাড়ির পাশের টিবওয়েলের কাছে যায়। এসময় সোহাগ শিশুটিকে মুখ বেঁধে নির্জন জায়গায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে তার ভাতিজি চিৎকার শুরু করলে বাড়ির লোকজন এগিয়ে গেলে সোহাগ পালিয়ে যায়।
তিনি আরও জানান, ঘটনার পর বিষয়টি ধামাচাপা দিতে স্থানীয় দেলোয়ার হোসেনসহ কয়েকজন প্রভাবশালী ভিকটিমের স্বজনদের সঙ্গে গোপন বৈঠক করে জানায়, বিচার সালিশের প্রয়োজন নেই। এটা তাদের মান-সম্মানের বিষয়। পরবর্তীতে তাকে বিয়ের সময় কিছু টাকা আদায় করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে থানায় মামলা দায়ের করতে নিষেধ করেন তারা।
শ্রীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সৈয়দ আজিজুল হক বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, সোমবার রাতে শিশুটির মা বাদী হয়ে সোহাগের বিরুদ্ধে শ্রীপুর থানায় মামলা দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত সোহাগকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। শিশুটিকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
আপোস বৈঠককারী দেলোয়ারের সঙ্গে একাধিকবার মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।