আশুলিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি অপারেশন) জাহিদুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ধর্ষণের ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
ধর্ষণের শিকার ওই নারীর পারিবারিক সুত্র জানায়, নারী পোশাক শ্রমিক ওই নারী আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড সদস্য তাহের মৃধার ভাড়া বাড়িতে থেকে পোশাক কারখানায় কাজ করতো। ইউপি সদস্যের বাড়িতে ভাড়া থাকার কারণে একাধিকবার তাকে কু-প্রস্তাব দেয় তাহের মৃধা। পরে গত কয়েক মাস ধরে সে ওই ইউপি সদস্যের বাড়ি ছেড়ে দিয়ে পাশের একটি বাসায় ভাড়া নিয়ে থাকতো।
এদিকে শনিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাতে কারখানা থেকে বাড়ি ফেরার সময় ইউপি সদস্যের লোকজন ওই নারীর মুখ বেঁধে তুলে নিয়ে যায়। পরে তারা তাকে পাশের কান্দাইল এলাকার ইউপি সদস্যের পুরতান বাড়ির পরিত্যাক্ত একটি কক্ষে নিয়ে আটকে রাখে। এর পরপরই অভিযুক্ত ইউপি সদস্য নারী শ্রমিকের ওপর পাশবিক নির্যাতন শুরু করে। টানা কয়েক ঘণ্টা ধর্ষনের পর বিষয়টি কাউকে জানালে তাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে চলে যায়।
এদিকে এ ঘটনার পর রবিবার রাতে নারী পোশাক শ্রমিক নিজে বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
এ ব্যাপারে আশুলিয়া থানার ওসি জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘এ ঘটনায় নারী শ্রমিক নিজে আশুলিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। অভিযুক্ত মৃধা পলাতক রয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।