এ ঘটনার পর আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে জেলা প্রশাসক মাহমুদুল হোসাইন খান, জেলা গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম ও সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো.আব্দুল্লাহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
সদর হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ১৯৮৮ সালে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের তিন তলা ভবনের প্রথম তলা নির্মিত হয়। ২০০৩ সালে দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলার কাজ সম্পন্ন করা হয়। বুধবার রাতে হাসপাতালের জরুরি বিভাগ, অফিস রুম ও প্যাথলজি বিভাগের সামনের করিডোরের ছাদের আস্তরণ ধসে পড়ে। হাসপাতালের চিকিৎসকদের কক্ষ, জরুরি বিভাগ, এক্সরে বিভাগ এবং শিশুদের টিকাদান কক্ষসহ সব অফিসিয়াল কার্যক্রম নিচতলায় হওয়ায় এ ঘটনায় কর্মরত চিকিৎসক ও কর্মচারীরা আতঙ্কিত বোধ করছেন। এছাড়া ওই করিডোর দিয়েই হাসপাতালের সমস্ত রোগী ও রোগীর স্বজনরা যাতায়ত করায় যে কোন সময় বড় ধরণের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।
জেলা প্রশাসক মাহমুদুল হোসাইন খান বলেন, ‘রাতে না হয়ে যদি দিনের বেলায় ছাদের আস্তরণ ধসে পড়লে বড় ধরণের দুর্ঘটনা ঘটতে পারতো। ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। তবে ভবনের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন প্রকৌশলীরা এসে মতামত দেওয়ার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তার আগ পর্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ করিডোর দিয়ে চলাচল সীমিত করা হবে। ’