মুন্সীগঞ্জ খামার ব্যবস্থাপক শাহজাহান আনিসুর রহমান বলেন, ‘জরিমানার পাশাপাশি কারেন্ট জালসহ ৩৩ দশমিক ৩৪ লাখ মিটার জাল জব্দ করা হয়েছে। যার বাজার মূল্য প্রায় ৪ লাখ ৫৭ হাজার টাকা।’
এদিকে, রবিবার (৮ অক্টোবর) লৌহজং উপজেলার পদ্মা নদীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ৫০ হাজার মিটার জাল আটক করে পুড়িয়ে দেওয়া এবং ১০ জেলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। এছাড়া ১০ জেলেকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এসময় ১৪০ কেজি মাছ জব্দ করে স্থানীয় এতিমখানায় বিতরণ করা হয়।
তিনি আরও বলেন, ‘লৌহজংয়ের মতো টঙ্গীবাড়ীতেও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। কিন্তু কোনও মাছ জব্দ করা হয়নি। তবে, পরিত্যক্ত অবস্থায় ১১ হাজার মিটার জাল আটক করে বিনষ্ট করা হয়েছে।’
এদিকে, অবৈধভাবে মাছ ধরা বন্ধ করতে অভিযান চালালেও এই সময়ে জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থান করতে পারেনি জেলা মৎস্য অফিস। অন্যান্য জেলায় এসময় চাল বরাদ্দ পেলেও মুন্সীগঞ্জের জেলেদের জন্য চালেরও ব্যবস্থা করতে পারেনি জেলা মৎস্য অফিস।
জেলা মৎস্যজীবী সমিতির সভাপতি আলিম উদ্দিন বলেন, ‘ইলিশ মাছ ধরা নিষিদ্ধ করার পর আমরা নদীতে যাই না। গেলেই মোবাইল কোর্ট জেল জরিমানা করে দেয়। আবার সরকার চালও দিচ্ছে না। পরিবার নিয়ে খুব বিপদে আছি। কোনোমতে সংসার চলছে।’
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ড. অলিউর রহমান বলেন, ‘জেলেদের জন্য চালের বরাদ্দ পাওয়া যায়নি। তবে আমরা চেষ্টা করছি।’
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘প্রায় তিন হাজার জেলের মধ্যে অল্প কয়েকজন জেলে অনৈতিকভাবে নদীতে মাছ ধরতে যায়। তাই মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে বিরত রাখতে হয়। তাছাড়া, নদীতে এখন প্রচুর মাছ। জাল ফেললেই মাছ ওঠে। তাই অনেক জেলেরা লোভ সংবরণ করতে পারেন না।’