স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে স্থানীয় ইউপি সদস্য খালেক প্রায় ২০/৩০ জন সন্ত্রাসী নিয়ে সিরাজুল ইসলামের বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় সন্ত্রাসীরা সিরাজুল ইসলাম, তার স্ত্রী বিথী বেগম ও ছেলে সজলকে কুপিয়ে জখম করে। এক পর্যায়ে মৃত ভেবে হামলাকারীরা আহতদের ঘটনাস্থলে ফেলে চলে যায়। খবর পেয়ে আশুলিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
হামলার শিকার সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের বসতবাড়ি নিয়ে স্থানীয় মজিবুর রহমান বিসার সঙ্গে বিরোধ চলে আসছিল। এ ঘটনায় স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান শাহাব উদ্দিন মাতবর আমাদের তিন বার নোটিশ দেয়। তবে আদালতে এন সংক্রান্ত মামলা থাকার কারণে আমরা ইউপি চেয়ারম্যানের নোটিশ ফিরিয়ে দেই। এরপর থেকেই চেয়ারম্যানের লোক ইউপি সদস্য খালেক আমাদেরকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে আসছিল। ’
ইউপি সদস্য খালেক মিয়া ওই পরিবারের ওপর হামলা চালানোর বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি ঘটনার সময় ইউপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে তার বাড়িতে অবস্থান করছিলাম। আমি হামলার সঙ্গে জড়িত নই।’
তবে এ ব্যাপারে আশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাহাব উদ্দিন মাতবরের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আওয়াল বলেন, ‘এ ঘটনায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।’
আরও পড়ুন: ‘কোনও সন্তান কি তার মাকে এভাবে মারতে পারে?’