পাবনায় সড়ক দুর্ঘটনায় সাত জন নিহত ৩৫ জন আহত

পাবনায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ

পাবনা-ঢাকা মহাসড়কের বহালবাড়িয়া নামক স্থানে যাত্রীবাহী দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৭ জন নিহত ও ৩৫ জন আহত হয়েছেন। রবিবার বেলা দেড়টার দিকে মহাসড়কের চিনাখড়া বাজারের পাশে বহালবাড়িয়া নামক স্থানে এই দুর্ঘটনা ঘটে। পাবনার আতাইকুলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাসুদ রানা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত ৭ জনের মধ্যে ৪ জনের নাম পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা পাবনা সদর উপজেলার বাগচীপাড়া গ্রামের গফুর আলী বিশ্বাসের ছেলে আয়েত আলী বিশ্বাস (৫৫), আতাইকুলা থানার বৃহস্পতিপুর গ্রামের মকবুল প্রামাণিকের ছেলে আবুল কালাম (৪২), একটি বাসের চালক রিপন হোসেন (৪২), পাবনা সদর উপজেলার বাঙাবাড়িয়ার সোবাহানের ছেলে লিটন। বাকি ৩ জনের নাম পরিচয় এখনও পাওয়া যায়নি। চালক ছাড়া নিহতরা সবাই বাসের যাত্রী ছিল।

22894624_1628747237147000_448101015_n

তিনি জানান, পাবনা-ঢাকা  বহালবাড়িয়া নামক স্থানে পাবনা থেকে ছেড়ে যাওয়া সুমী ট্রাভেলস এবং সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া থেকে ছেড়ে আসা শাহ নকিব পরিবহনের যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই এক বাস চালকসহ ৫ জন নিহত ও ৩৫ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয়দের সহযোগিতায় আহতদের উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসাপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতাল চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দুই জন মারা গেছে।আহতদের মধ্যে ১০ জনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

পাবনা-ঢাকা মহাসড়কের মাধপুর হাইওয়ে পুলিশের কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন জানান,  দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হওয়ার কারণে কিছু সময় যান চলাচল বন্ধ ছিল। পরে ফায়ার সার্ভিজের সহযোগিতায় বাস দুটিকে মহাসড়ক থেকে সড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এখন যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

পাবনা ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক মো. ইউনুস আলী জানান,  বাস দুটির গতি বেশি থাকার কারণে দুমড়ে মুচড়ে গেছে। এক চালকসহ ৭ জন নিহত ও ৩৫ জন আহত হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে ৫ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ১০ জনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। 

আরও পড়ুন: বগুড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় কাভার্ড ভ্যান চালক নিহত