মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার তুমুলিয়া ইউনিয়নের মুনসেফপুর গ্রামের সোহেল (৩৫), একই গ্রামের আল-আমিন (৩৭) ও জাকির (৩৭)।
নিহত আলমগীর নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল চড়পাড়া গ্রামের আব্দুল বারেকের ছেলে। তিনি কালীগঞ্জের তুমুলিয়া গ্রামে নানা বাড়িতে থেকে স্থানীয় শ্রমিক কলেজে স্নাতক (ডিগ্রি) শ্রেণিতে পড়ালেখা করতেন।
গাজীপুর আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) আতাউর রহমান জানান, আলমগীর তার নানা বাড়ির পাশে সিরাজুলের ছেলেকে প্রাইভেট পড়াতেন। বিষয়টি স্থানীয় কিছু বখাটে সহ্য করতে পারত না। তারা আলমগীরকে কয়েকবার হুমকি দেয়। ২০০২ সালের ৭ অক্টোবর রাতে আসামিরা সিরাজুলের বাড়িতে গিয়ে আলমগীরের ওপর হামলা চালায়। আসামিরা ছুরি দিয়ে কুপিয়ে ও রড দিয়ে পিটিয়ে চলে যায়। পরে স্থানীয়রা আলমগীরকে উদ্ধার করে কালীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। পরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার প্রস্তুতির সময় কালীগঞ্জ হাসপাতালেই তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় পরদিন নিহতের বাবা আব্দুল বারেক বাদী হয়ে ওই তিনজনকে অভিযুক্ত করে কালীগঞ্জ থানায় মামলা করেন।
আরও পড়ুন:
নরসিংদীর পৌর মেয়র লোকমান হত্যা: উচ্চ আদালতে থমকে আছে বিচার কাজ