দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন বরিশালের কোতোয়ালি থানার পলাশপুর এলাকার আল আমিন ওরফে ছিনতাইকারী আল আমিন (৩৪), গাজীপুরের টঙ্গী থানার মরকুন টেকপাড়া এলাকার রকি ওরফে রাকিব (২৬) ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার শাহাপুর এলাকার কাকন ওরফে কালন (২৫)। এদের মধ্যে আল আমিনকে মৃত্যুদণ্ডসহ ১০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অন্য দুই জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আসামিদের মধ্যে আল আমিন পলাতক।
গাজীপুর আদালতের পরিদর্শক রবিউল ইসলাম জানান, আমির হোসেন রিংকু টঙ্গীর গোপালপুর পশ্চিমপাড়া এলাকায় ইসমাইল হোসেনের বাড়িতে পরিবারের সঙ্গে ভাড়া থাকতেন। সেখান থেকে তিনি উত্তরার রিজেন্ট হাসপাতালে চাকরি করতেন। ২০১৫ সালের ১২ জুন রাত পৌনে ১০টার দিকে কর্মস্থল থেকে টঙ্গীর আহসান উল্লাহ মাস্টার উড়াল সেতুর পূর্ব প্রান্তে আমতলী এলাকায় পৌঁছালে পূর্ব শত্রুতার জেরে দণ্ডিতরাসহ অজ্ঞাতনামা ৭/৮ জন রিংকুকে মারধর ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। পথচারীরা রিংকুকে উদ্ধার করে টঙ্গী সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় পরদিন দুপুরে রিংকুর বাবা বাদী হয়ে টঙ্গী থানায় চারজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৭/৮জনকে আসামি করে মামলা করেন। পরে তদন্ত করে টঙ্গী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) বেলাল হোসেন চলতি বছরের ১১ মার্চ আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।
চার্জশিটে মামলার এক নম্বর আসামি টঙ্গীর আমতলী এলাকার আব্বাস আলীর ভাড়াটিয়া ইলিয়াসের (২৪) পূর্ণ ঠিকানা না পাওয়ায় মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার আবেদন জানান তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই বেলাল হোসেন।
রাষ্টপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) হারিছ উদ্দিন আহম্মদ এবং আসামিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন মিজানুর রহমান রিপন ও আম্বিয়া আফরোজা রত্না।