আলমগীর নামে এক ছাত্রদল নেতা বলেন, ‘বিএনপির সমাবেশে যাওয়ার জন্য দুটি বাস ভাড়া করেছিলাম। রবিবার সকালে নেতাকর্মীদের নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দিতে গেলে মালিকপক্ষ জানায়- তাদেরকে বাস ভাড়া না দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’
এদিকে, আশুলিয়া থানা বিএনপির উপ-প্রচার সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম জানান, বিএনপির বেশকিছু নেতাকর্মীদের নিয়ে রবিবার সকালে তারা সমাবেশের উদ্দেশে সাভার থেকে রওনা দেন। এ সময় নবীনগর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পুলিশ চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালায়। পরে তারা কৌশলে গাড়ি থেকে নেমে কিছু দূর হেঁটে চেকপোস্ট অতিক্রম করার পর আবারও গাড়িতে উঠে সমাবেশের উদ্দেশে রওনা দেন।
ঢাকা জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বদিউজ্জামান বদি অভিযোগ করেন, সমাবেশে যাওয়ার জন্য তিনি নেতাকর্মীদের নিয়ে সকাল ১০টার দিকে সাভার থেকে রওনা দেন। পরে সাড়ে ১০টার দিকে আমিনবাজার এলাকায় পৌঁছালে সেখানে থাকা পুলিশের একটি চেকপোস্টে তাদের ১৩টি গাড়ি বহর আটকে দেওয়া হয়।
পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি নাজিম উদ্দিন, যুবদল নেতা রকিব দেওয়ান ও আলমগীরসহ বিএনপির একাধিক নেতাকর্মীরা অভিযোগ করে বলেন, বিএনপির সমাবেশে নেতাকর্মীরা যেন উপিস্থত হতে না পারে সেজন্য সকাল থেকে রাজধানীর প্রবেশপথ ও সাভারের বিভিন্ন মহাসড়কে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশির নামে বিএনপির গাড়িবহর আটকে দিচ্ছে পুলিশ। সমাবেশে লোক সমাগম বাধাগ্রস্ত করতে তাদের নেতাকর্মীদের আটক করছে পুলিশ। এ কারণে বাধ্য হয়ে সাধারণ বাসে যাত্রীবেশেই তাদের ঢাকার উদ্দেশে রওনা দিতে হয়েছে।
এদিকে নাশকতার আশঙ্কায় ধামরাই থেকে দুই জন, আশুলিয়া থেকে সাত জন ও সাভার থেকে ৯ বিএনপি নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।
বিএনপির এসব অভিযোগ অস্বীকার করে ঢাকা জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইদুর রহমান বলেন, ‘মহাসড়কে নিরাপত্তার জন্য পুলিশ চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।’ এছাড়া বিএনপির গাড়িবহর আটকে দেওয়ার কথাও তিনি অস্বীকার করেন।
আরও পড়ুন:
গাজীপুরে ঢাকামুখী গণপরিবহন বন্ধ, বিএনপির ২৯ নেতা-কর্মী আটক