এদিকে নাশকতার অভিযোগে বন্দর ও রুপগঞ্জে বিএনপির ১৩ নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার ওসি শরাফত উল্লাহ।
রবিবার সকালে নগরীর এক নম্বর রেলগেটে নারায়ণগঞ্জ বাস টার্মিনালে গিয়ে দেখা যায় সারি সারি যাত্রীবাহী বাস ঠায় দাঁড়িয়ে আছে। বাসের কাউন্টারগুলোও বন্ধ। বাস টার্মিনালে এসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকে বাস না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন অনেক যাত্রী। আবার অনেক যাত্রীকে সিএনজিসহ বিকল্প পরিবহনে গন্তব্যে পৌঁছাতে দেখা গেছে। যাত্রীদের অভিযোগ বিএনপির সমাবেশকে কেন্দ্র করে সরকারি দলের লোকজনের ইশরায়ই বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। আবার বেশ কয়েকজন যাত্রী অভিযোগ করেন, বিএনপির সমাবেশের কারণে বাস বন্ধ করে দিয়ে সাধারণ মানুষকে ভোগান্তিতে ফেলা হয়েছে।
ঢাকা-চট্রগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে অন্যান্য দিনের তুলনায় যাত্রীবাহী যানবাহন চলাচলও কম দেখা গেছে। নারায়ণগঞ্জ থেকে ঢাকায় যাওয়ার বিভিন্ন পায়েন্টে পুলিশের চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। এসব চেকপোস্টে যাত্রীদের দেহ তল্লাশি করা হচ্ছে।
নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এ টি এম কামাল বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বিএনপির সামাবেশে লোক সমাগম ঠেকাতে এবং বিএনপির নেতাকর্মীরা যাতে নিবিঘ্নে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের অনুষ্ঠানে যেতে না পারে এ জন্য সরকারের ওপর মহলের নির্দেশে নারায়ণগঞ্জের বাস মালিকরা সকাল থেকে বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে।’
নারায়ণগঞ্জ-মুন্সিগঞ্জ বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সভাপতি মোক্তার হোসেন জানান, সকাল থেকে বাস নিয়মিতই চলছিল। কিন্তু নারায়ণগঞ্জ থেকে বাস ঢাকার গুলিস্থান যাওয়ার পর কিছু যাত্রী জোর করে বাসগুলোকে অন্যদিকে নিয়ে যেতে বাধ্য করে। অনেক বাস ঢাকায় গিয়ে দীর্ঘসময় পরেও ফিরে আসছে না। যে কারণে নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে বাস চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন- গাজীপুরে ঢাকামুখী গণপরিবহন বন্ধ, বিএনপির ২৯ নেতা-কর্মী আটক