তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘অভিযোগ গঠনের জন্য সোমবার (১৩ নভেম্বর) দিন ধার্য ছিল। কিন্তু বিচারক না থাকায় অভিযোগ গঠন করা হয়নি।’
তিনি আরও জানান, গত ১৫ অক্টোবর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা টাঙ্গাইলের বিচারিক হাকিম আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এতে গ্রেফতার হওয়া পাঁচ জনকে দোষী সাব্যস্ত করে অভিযোগপত্র দেওয়া। অভিযোগপত্র দাখিলের পর মামলাটি বিচারের জন্য ১৬ অক্টোবর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বদলি করা হয়। আজ ওই মামলার অভিযোগ গঠনের দিন ধার্য ছিল।
প্রসঙ্গত, গত ২৫ আগস্ট বগুড়া থেকে ময়মনসিংহ যাওয়ার পথে রুপাকে চলন্ত বাসে পরিবহন শ্রমিকরা ধর্ষণ করে এবং তাকে হত্যার পর মধুপুরের পঁচিশ মাইল এলাকায় বনের মধ্যে লাশ ফেলে যায়। এলাকাবাসীর কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ রাতেই লাশ উদ্ধার করে। পরদিন ময়না তদন্ত শেষে বেওয়ারিশ লাশ হিসেবে দাফন করে। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মধুপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে। পত্রিকায় প্রকাশিত খবর দেখে ভাই হাফিজুর রহমান মধুপুর থানায় গিয়ে ছবি দেখে তাকে শনাক্ত করেন।
গত ২৮ আগস্ট এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে ময়মনসিংহ-বগুড়া রুটের ছোঁয়া পরিবহনের হেলপার শামীম (২৬), আকরাম (৩৫) ও জাহাঙ্গীর (১৯) এবং চালক হাবিবুর (৪৫) ও সুপারভাইজার সফর আলীকে (৫৫) গ্রেফতার। তারা প্রত্যেকেই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আসামিরা টাঙ্গাইল জেলহাজতে আছে।