খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দেশ আজ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি ও মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষের শক্তি—এই দুই ভাগে বিভক্ত। মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষের শক্তিরা আমাদের সরকারের সব উন্নায়নমূলক কর্মকাণ্ড নস্যাৎ করার জন্য নানাভাবে ষড়যন্ত্র করছে। তাদের বিরুদ্ধে এখনও আমাদের লড়াই করতে হচ্ছে।’
আগামীতে সবার কাছে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য বর্তমান নির্বাচন কমিশন কাজ করে যাচ্ছে মন্তব্য করে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যারা নির্বাচন কমশিনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য উদ্ভট তথ্য দিয়ে আন্দোলনের হুমকি দিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।’
কামরুল ইসলাম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাহসী ভূমিকায় আমরা ৭১-এর ঘাতক ও বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার করতে পেরেছি। মিরপুরের ও ঘাটারচরের গণহত্যার ঘটনায় কাদের মোল্লার ফাঁসির রায় আমরা কার্যকর করতে পেরেছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘একটি শক্তি দীর্ঘদিন নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে দেয়নি। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর আজ নতুন প্রজন্ম অন্ধকার থেকে আলোয় আসতে পেরেছে।’
বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ মোস্তফা মোহসীন মন্টুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্তকারী সংস্থার প্রধান সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান খান, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট জিয়াদ আল-মালুম, কেরানীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ, কেরানীগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ পরিষদের সভাপতি ইউসুফ আলী চৌধুরী সেলিম, তারানগর ইউনয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আজিজুর রহমান খান ও তারানগর ইউপির চেয়ারম্যান মোশরফ হোসেন ফারুক প্রমুখ।
উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ২৫ নভেম্বর এই দিনে ঘাটারচর ও তারানগর ইউনিয়নে পাকসেনারা ৫৭জন নারী-পুরুষকে হত্যা করে। এ সময় ১২/১৪টি গ্রাম পুড়িয়ে দেয় তারা।